স্মার্টফোনের ব্যাটারির চার্জ দ্রুত কমে যাওয়ার পেছনে শুধু পর্দার উজ্জ্বলতা বেশি রাখা, দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহার কিংবা একসঙ্গে একাধিক অ্যাপ চালু রাখার প্রভাবই সবসময় দায়ী নয়। অনেক সময় ব্যবহার না করলেও ফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডে চালু থাকা বিভিন্ন অ্যাপ ব্যাটারির চার্জ ও র্যাম ব্যবহার করতে থাকে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ভিডিও স্ট্রিমিং কিংবা অপ্রয়োজনীয় অ্যাপের কার্যক্রম ফোনের ব্যাটারির স্থায়িত্ব কমিয়ে দিতে পারে। তবে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের কয়েকটি সেটিংস পরিবর্তন করে এসব অ্যাপের ব্যাকগ্রাউন্ড কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
অ্যাডাপটিভ ব্যাটারি চালু রাখুন
অ্যান্ড্রয়েড ফোনে থাকা ‘অ্যাডাপটিভ ব্যাটারি’সুবিধা ব্যবহারকারীর অ্যাপ ব্যবহারের ধরন পর্যবেক্ষণ করে। কোন অ্যাপ নিয়মিত ব্যবহার করা হয় আর কোনটি খুব কম খোলা হয়, তা শনাক্ত করে কম ব্যবহৃত অ্যাপের ব্যাকগ্রাউন্ড কার্যক্রম সীমিত করে ফিচারটি। ফলে অপ্রয়োজনীয় ব্যাটারি খরচ কমে।
সুবিধাটি চালু করতে ফোনের সেটিংস থেকে ব্যাটারি বিভাগে যেতে হবে। এরপর ব্যাটারি সেভার বা ব্যাটারি সেটিংসের অধীনে অ্যাডাপটিভ ব্যাটারি অপশনটি নির্বাচন করে ইউজ অ্যাডাপটিভ ব্যাটারি চালু করতে হবে। ফোনের মডেল ও অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণভেদে সেটিংসের অবস্থান কিছুটা আলাদা হতে পারে।
কোন অ্যাপ বেশি চার্জ খরচ করছে দেখুন
কোন অ্যাপ ব্যাটারির চার্জ বেশি ব্যবহার করছে, তা জানতে সেটিংস থেকে ব্যাটারি এবং এরপর ব্যাটারি ইউজেস অপশনটি নির্বাচন করতে হবে। সেখানে অ্যাপভিত্তিক ব্যাটারি ব্যবহারের তালিকা দেখা যাবে। তালিকায় এমন কোনও অ্যাপ থাকলে, যা খুব কম ব্যবহার করা হয় অথচ উল্লেখযোগ্য পরিমাণ চার্জ খরচ করছে, সেটির কার্যক্রম সীমিত করতে হবে।
নির্দিষ্ট অ্যাপের ব্যাকগ্রাউন্ড কার্যক্রম বন্ধ করুন
অপ্রয়োজনীয় কোনও অ্যাপের ব্যাকগ্রাউন্ড কার্যক্রম বন্ধ করতে সেটিংস থেকে অ্যাপস বিভাগে গিয়ে সি অল অ্যাপস নির্বাচন করতে হবে। এরপর নির্দিষ্ট অ্যাপটি খুলে অ্যাপ ব্যাটারি ইউজেস অপশনে প্রবেশ করে অ্যালাও ব্যাকগ্রাউন্ড ইউজেস বন্ধ করে দিতে হবে। এতে অ্যাপটি ব্যবহার না করার সময় ব্যাকগ্রাউন্ডে কাজ করতে পারবে না। তবে এর ফলে তাৎক্ষণিক নোটিফিকেশন বা স্বয়ংক্রিয় আপডেট পেতে দেরি হতে পারে।
ব্যবহার না করা অ্যাপ বন্ধ বা মুছে ফেলুন
দীর্ঘদিন ব্যবহার করা হয় না, এমন অ্যাপের ক্ষেত্রে পজ অ্যাপ অ্যাক্টিভিটি ইফ আনইউজড সুবিধাটি চালু রাখা যেতে পারে। এটি অ্যাপের অপ্রয়োজনীয় ব্যাকগ্রাউন্ড কার্যক্রম সীমিত করে। আর কোনও অ্যাপ প্রয়োজন না হলে সেটিংসের অ্যাপস বিভাগ থেকে সেটি ফোর্স স্টপ বা আনইনস্টল করা যায়।
তবে সব অ্যাপের ব্যাকগ্রাউন্ড কার্যক্রম বন্ধ করা উচিত নয়। মেসেজিং, ইমেইল, নিরাপত্তা কিংবা নেভিগেশন অ্যাপের ক্ষেত্রে এতে নোটিফিকেশন ও প্রয়োজনীয় সেবা ব্যাহত হতে পারে। তাই শুধু বেশি ব্যাটারি খরচ করা অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলোতেই এ ধরনের বিধিনিষেধ প্রয়োগ করা ভালো।
ব্যাংক ও ক্রেডিট কার্ডের লেনদেন বিশ্লেষণ করবে ক্লড, জানাবে আয়-ব্যয়ের হিসাব
করাচির রেস্তোরাঁয় খাবার পরিবেশনে রোবট