X
শনিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২২, ৭ মাঘ ১৪২৮
সেকশনস

শহীদ মিনারে আলোকচিত্রী আনোয়ার হোসেনকে শেষ শ্রদ্ধা

আপডেট : ০৩ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৮:২৮

শ্রদ্ধাঞ্জলি

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আলোকচিত্রী ও মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেনের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সর্বস্তরের মানুষ।

সোমবার (৩ ডিসেম্বর) সকাল ১১টার আগে তার মরদেহ শহীদ মিনারে আনা হয়। পরে সর্বস্তরের মানুষ তাকে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী মারিয়াম হোসেন এবং দুই ছেলে আকাশ হোসেন ও মেঘদূত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় ঢাকার জেলা প্রশাসকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ম্যাজিস্ট্রেট তাজওয়ার আকরাম।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সংরক্ষিত জায়গায় তাকে দাফন করা হবে।

আনোয়ার হোসেনের মরদেহে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষে অতিরিক্ত সচিব মান্নান ইলিয়াছ, বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউট, দৃক ও পাঠ্যশালা, ছাত্র ইউনিয়ন, মুভিয়ানা ফ্লিম সোসাইটি, স্বাধীনতা শিক্ষক সোসাইটি, বাংলাদেশ শর্ট ফিল্ম সোসাইটি, সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম, মুক্তিযুদ্ধ ৭১, প্রথম আলো পরিবার, আরটিভি পরিবার, বিডি ফটোগ্রাফার্স ইউনিটি ক্লাব, ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ফটোগ্রাফি অ্যাসোসিয়েশন, জাতীয় কবিতা পরিষদ, চিত্রালী পাঠক-পাঠিকা চলচ্চিত্র সংসদ, রণেশ দাশগুপ্ত চলচ্চিত্র সংসদ, শিল্পী ফকির আলমগীর, স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন, নাট্যব্যক্তিত্ব খ ম হারুনসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

ফ্রান্স প্রবাসী আনোয়ার হোসেন গত ২৮ নভেম্বর বাংলাদেশে আসেন। শনিবার (১ ডিসেম্বর) সকালে পান্থপথের হোটেল ওলিও ড্রিম হেভেন থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

১৯৪৮ সালের ৬ অক্টোবর পুরান ঢাকায় আনোয়ার হোসেনের জন্ম। আরমানিটোলা স্কুল থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় বোর্ডে তৃতীয় হয়েছিলেন। নটর ডেম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে ভর্তি হয়েছিলেন বুয়েটের স্থাপত্যবিদ্যা বিভাগে। সেখানেও ভালো ফল করেন। তবে একসময় সিনেমাটোগ্রাফি পড়তে চলে যান ভারতে। ১৯৬৭ সালে আলোকচিত্রী হিসেবে জীবন শুরু করেন তিনি।

‘সূর্য দীঘল বাড়ী’, ‘এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী’, ‘পুরস্কার’, ‘অন্য জীবন’, ‘লালসালু’, ‘শ্যামলছায়া’ চলচ্চিত্রের চিত্রগ্রাহক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান আনোয়ার হোসেন। কমনওয়েলথ গোল্ড মেডেলসহ ৬৮টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। ১৯৯৫ সালে ফ্রান্সে চলে যান আনোয়ার হোসেন। ১৯৯৬ সালে ফরাসি মেয়ে মারিয়ামকে বিয়ে করেন।

ছবি: নাসিরুল ইসলাম

/এসএস/এপিএইচ/এমওএফ/
সম্পর্কিত
সেন্টমার্টিন দ্বীপের জন্য বাংলাদেশ সরকারকে ডিক্যাপ্রিওর অভিনন্দন
সেন্টমার্টিন দ্বীপের জন্য বাংলাদেশ সরকারকে ডিক্যাপ্রিওর অভিনন্দন
হয়ে গেল রাজ-পরীর গায়েহলুদ, শনিবার বিয়ে
হয়ে গেল রাজ-পরীর গায়েহলুদ, শনিবার বিয়ে
ফেসবুক দেখাচ্ছে ‘মৃত’, জায়েদ খান বললেন ‘শয়তানি’!
এবার জায়েদ খানকে ‘মৃত’ বলছে ফেসবুক!
১৬ বছর পর মাইলসের বাইরে হামিন আহমেদ
১৬ বছর পর মাইলসের বাইরে হামিন আহমেদ

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সেন্টমার্টিন দ্বীপের জন্য বাংলাদেশ সরকারকে ডিক্যাপ্রিওর অভিনন্দন
সেন্টমার্টিন দ্বীপের জন্য বাংলাদেশ সরকারকে ডিক্যাপ্রিওর অভিনন্দন
হয়ে গেল রাজ-পরীর গায়েহলুদ, শনিবার বিয়ে
হয়ে গেল রাজ-পরীর গায়েহলুদ, শনিবার বিয়ে
ফেসবুক দেখাচ্ছে ‘মৃত’, জায়েদ খান বললেন ‘শয়তানি’!
এবার জায়েদ খানকে ‘মৃত’ বলছে ফেসবুক!
১৬ বছর পর মাইলসের বাইরে হামিন আহমেদ
১৬ বছর পর মাইলসের বাইরে হামিন আহমেদ
অন্যরকম সিয়াম-বুবলী (ভিডিও)
অন্যরকম সিয়াম-বুবলী (ভিডিও)
© 2022 Bangla Tribune