আজই (১ নভেম্বর) ৫২ বসন্তে পা ফেলেছেন বলিউডের বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই। ১৯৭৩ সালের এই দিনে তিনি পৃথিবীর আলোয় চোখ মেলেন। এরপর ১৯৯৪ সালে জয় করেন মিস ওয়ার্ল্ড খেতাব।
এই খেতাব জয়ের পর ঐশ্বরিয়া শুধু বলিউডেই নয়, বিশ্বজুড়ে তার সৌন্দর্য, অভিনয় দক্ষতা এবং ব্যক্তিত্বের জাদুতে কোটি ভক্তের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। ব্যক্তিজীবনে ২০০৭ সালে তিনি বিয়ে করেন অভিনেতা অভিষেক বচ্চনকে। তাদের একমাত্র কন্যা আরাধ্য জন্ম নেয় ২০১১ সালে।
ঐশ্বরিয়ার এবারের জন্মদিনে (১ নভেম্বর) স্মরণ করা যাক বিয়ের পর প্রথম দিকের একটি স্মরণীয় সাক্ষাৎকার। ২০০৭ সালে বিয়ের কিছুদিন পর এবিসি নিউজ-এর সঙ্গে এক আলাপচারিতায় বচ্চন পরিবারের সদস্য হওয়ার অনুভূতি জানান তিনি।
ভারতের সবচেয়ে বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিবারে বউ হয়ে যাওয়ার পর কেমন লাগছে?— এমন প্রশ্নের জবাবে হাসিমুখে বুদ্ধিমতি ঐশ্বরিয়া বলেছিলেন, ‘আমি আসলে অভিষেককে বিয়ে করেছি (হাসি)… এবং খুবই খুশি হয়েছি।’ ওই সময় পাশেই বসে থাকা অভিষেক মজা করে বলেছিলেন, ‘ভালো পর্যবেক্ষণ!’
সেদিন ঐশ্বরিয়া আরও বলেন, ‘আমরা দু’জন বিয়ে করেছি এবং খুব সুখী। ঈশ্বরের দেওয়া দুটি পরিবার পেয়েছি আমরা। এখন আমাদের দুই সেট বাবা-মা। অভিষেকের পরিবারে এসে আমি বাড়ির মতোই অনুভব করেছি। তারা বলেছেন তারা মেয়ে পেয়েছেন, আর আমি মনে করি নতুন বাবা-মাকে পেয়েছি। বাইরে সবাই বচ্চন পরিবারকে চলচ্চিত্র জগতের সবচেয়ে বড় পরিবার বলে, কিন্তু আমার জন্য এটা খুব স্বাভাবিক এক পরিবেশ।’
আরও বলেন, ‘আমরা একে অপরকে আগে থেকেই চিনতাম। এবং তারা এতটাই স্বাভাবিক, মূল্যবোধে দৃঢ়, পরিবারকে গুরুত্ব দেন… যেভাবে আমি বড় হয়েছি, সেই একই পরিবেশ এখানে। তাই আমার খুবই স্বস্তি লাগে।’
সাক্ষাৎকারে তাকে আরও জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, পরিবারের কর্ণধার অমিতাভ বচ্চনকে কীভাবে দেখেন তিনি? উত্তরে ঐশ্বরিয়া জানান,
‘‘তিনি আমার শ্বশুর। তবে ‘শুধু সেটাই’ বলছি না— সর্বোচ্চ সম্মান, ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা দিয়ে বলছি। তিনি এবং মা (জয়া বচ্চন) আমার জন্য ‘পা’ এবং ‘মা’। আমাকে যেভাবে তারা গ্রহণ করেছেন, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ।”
বলা দরকার, গত ক’বছর ধরে অভিষেক-ঐশ্বরিয়ার সংসার-বিচ্ছেদ নিয়ে গুঞ্জন যেন ছাড়ছেই না। তবে সম্প্রতি সেই গুঞ্জনে ভাটা পড়েছে। কারণ, অভিষেক-ঐশ্বর্যকে ফের স্বাভাবিক গতিতেই দেখা যাচ্ছে নানাবিধ পারিবারিক আয়োজনে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস









