বলিউড অভিনেত্রী ভূমি পেডনেকরের ছাত্রজীবনের আচরণ নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছেন তার এক প্রাক্তন শিক্ষিকা। তিনি জানান, ছাত্র জীবনে অভিনেত্রী শিক্ষকদের ‘অসম্মান করতেন।
মুম্বইয়ের একটি অভিনয়শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অল্প সময়ের জন্য ভূমিকে পড়িয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন সেই শিক্ষিকা। তার নাম আধ্যাত্মিক মনোবিদ শ্রুতি দেসাই।
সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করে তিনি অভিনেত্রীর ‘সম্মান’ ও ‘দায়িত্ববোধ’ নিয়ে করা মন্তব্যের সমালোচনা করেন।
সমাজমাধ্যমের পোস্টে ভূমিকে ‘ট্যাগ’ করে শ্রুতি লেখেন, “ভূমি, আমার মনে আছে, মুম্বাইয়ের একটি অভিনয়ের স্কুলে খুব অল্প সময়ের জন্য আমি তোমার শিক্ষিকা ছিলাম। দুর্ভাগ্যবশত, এটাও মনে আছে যে, তুমি শিক্ষকদের প্রতি অত্যন্ত অসম্মানজনক, প্রায় অবজ্ঞাপূর্ণ আচরণ করতে। এখন সম্মান ও দায়িত্ববোধ নিয়ে তোমার দৃষ্টিভঙ্গি এত বদলে গেল কী ভাবে, সেটা কি ব্যাখ্যা করবে?”
পোস্টটি দ্রুত সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে নেটমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। একাংশ শ্রুতির বক্তব্যকে সমর্থন করলেও, অন্যদের মতে, বহু বছর আগের আচরণের ভিত্তিতে একজন মানুষকে বিচার করা ঠিক নয়।
এক নেটাগরিক লেখেন, “আপনার মতে, কেউ যদি ছোটবেলায় অসম্মানজনক আচরণ করে থাকে, তা হলে কি আজীবন সে একই রকম থাকবে? একজন শিক্ষিকার কাছ থেকে এমন মন্তব্য আশা করিনি।”
আর এক জনের মন্তব্য, ‘‘আশা করি, শ্রুতির শিক্ষকও জানাবেন, ১৫ বছর বয়সে তিনি কেমন ছিলেন।’’ অন্য এক ব্যবহারকারী লেখেন, ‘‘আমার মনে হয়েছে, ওজন কমানো আর চোয়ালের গঠন বদলানোর পর থেকেই ভূমির আচরণ অনেক বদলে গিয়েছে। এটা ‘বডি শেমিং’ নয়। আগে তিনি অনেক বেশি বিনয়ী ছিলেন। জীবন আবার তাকে নম্র হতে শেখাবে।’’
উল্লেখ্য, নিট আন্দোলন নিয়ে ভূমির ধারাবাহিক মন্তব্য থেকেই এই বিতর্কের সূত্রপাত। সম্প্রতি তিনি আন্দোলনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্দেশে ব্যবহার করা অশালীন ভাষার নিন্দা করেন। তার বক্তব্য ছিল, দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তির উদ্দেশে এমন ভাষা ব্যবহার কোনও ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। পরিবর্তন আনতে হলে সম্মানজনক সংলাপই একমাত্র পথ।
এই মন্তব্যের পর থেকেই অভিনেত্রী সমালোচনার মুখে পড়েন।

‘বড় ছেলে’র বাজিমাত, ‘ছোট ছেলে’ কতদূর যাবে?


