বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র ঢাকায় বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাবেক পিজি হাসপাতাল) তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।
বহু গুণের এ মানুষ গান, কবিতা, গল্প, নাটকের পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন।
এ দিনে জেনে নেওয়া যাক তার গল্প-উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত আলোচিত তিনটি সিনেমার খবর-
মেহের নেগার
নজরুলের ‘মেহের নেগার’ গল্প অবলম্বনে ২০০৫ সালে একই নামে সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে। এটি যৌথভাবে পরিচালনা করেন মুশফিকুর রহমান ও মৌসুমী। এটি মৌসুমী পরিচালিত দ্বিতীয় সিনেমা।
এই সিনেমায় প্রধান দুই চরিত্র—কাশ্মীরের তরুণী মেহের নেগারের চরিত্রে মৌসুমী এবং আফগান যুবক ইউসুফের ভূমিকায় ফেরদৌস অভিনয় করেন। সিনেমাটি সে সময় বেশ আলোচনায় আসে।
রাক্ষসী
কাজী নজরুলের গল্প ‘রাক্ষসী’ অবলম্বনে একই নামে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি। এ সিনেমার পরিচালক মতিন রহমান। এতে প্রধান তিনটি চরিত্রে অভিনয় করেন রোজিনা, পূর্ণিমা ও ফেরদৌস। এ সিনেমাটি ২০০৫ সালে মুক্তি পেয়েছে। এ সিনেমায় সে সময় রোজিনার অভিনয় দারুণ সাড়া ফেলে।
প্রিয়া তুমি সুখী হও
কাজী নজরুল ইসলামের ‘অতৃপ্ত কামনা’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে ‘প্রিয়া তুমি সুখী হও’ চলচ্চিত্রটি। এটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেন ফেরদৌস ও সায়লা সাবি। এটি পরিচালনা করেন গীতালি হাসান। এটি ২০১৪ সালে মুক্তি পেয়েছে।
অভিনেতা হিসেবেও কাজী নজরুল প্রশংসা কুড়ান। ১৯৩৩ সালে পায়োনিয়ার ফিল্মস কোম্পানি ‘ধ্রুব’ নামে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করে। পুরাণের কাহিনি নিয়ে গিরিশচন্দ্র ঘোষের লেখা ‘ধ্রুব চরিত’ অবলম্বনে চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়। নজরুল এ সিনেমায় দেবর্ষি নারদের চরিত্রে অভিনয় করেন এবং একটি গানে কণ্ঠ দেন। ১৯৩৪ সালের ১ জানুয়ারি ‘ধ্রুব’ মুক্তি পায়।
এ ছাড়া নজরুল ‘ধূপছায়া’ নামের একটি চলচ্চিত্র পরিচালনা করেন। ‘ধূপছায়া’তে দেবতা বিষ্ণুর চরিত্রে অভিনয়ও করেন তিনি।

দুই বছরের প্রেমের ইতি টানলেন অনন্যা পাণ্ডে






