ফিপরেস্কি জিতলো ফিলিস্তিন

Send
বিনোদন রিপোর্ট, কান (ফ্রান্স) থেকে
প্রকাশিত : ২১:৪৪, মে ২৫, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২২:০১, মে ২৫, ২০১৯

সংবাদ সম্মেলনে ইলিয়া সুলেমান

কান চলচ্চিত্র উৎসবের ৭২তম আসরে ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব ফিল্ম ক্রিটিকসের (ফিপরেস্কি) বিচারে প্রতিযোগিতা বিভাগ থেকে সেরা হলো ফিলিস্তিনের ইলিয়া সুলেমান পরিচালিত ‘ইট মাস্ট বি হ্যাভেন’। শনিবার (২৫ মে) বিকাল ৪টায় দক্ষিণ ফ্রান্সের কানে পালে দে ফেস্তিভাল ভবনের অ্যাম্বাসাডর’স রুমে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

শনিবার দুপুর ১২টায় সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন ইলিয়া সুলেমান। ২০০২ সালে ‘ডিভাইন ইন্টারভেনশন’ ছবির জন্য জুরি প্রাইজ পান তিনি। তার এবারের ছবির বিষয়বস্তু পরিচয়, জাতীয়তা ও অধিকার নিয়ে বিদ্রুপ। ফিলিস্তিনের পরিবর্তে বিকল্প দেশ চান তিনি। কিন্তু ফিলিস্তিন তার পিছু লেগে আছে। নতুন জীবনের প্রত্যাশা রূপ নেয় ভুলে ভরা কমেডিতে। প্যারিস থেকে নিউ ইয়র্ক, যেখানেই যান জন্মভূমি ফিলিস্তিনের কিছু না কিছু সবসময়ই মনে পড়ে তার। ছবিটির মাধ্যমে তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন, এমন কোন জায়গা আছে যেটাকে নিজের ঘর বলা যায়?

আঁ সাঁর্তে রিগার বিভাগে ছবিগুলোর মধ্য থেকে ফিপরেস্কি পেয়েছে রুশ নির্মাতা কান্তেমির বালাগভ পরিচালিত ‘বিনপোল’। তার ছবির প্রেক্ষাপট ১৯৪৫ সালের লেনিনগ্রাড। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে শহরটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। তবুও ভালো যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটেছে। ধ্বংসাবশেষের মধ্যে জীবনকে নতুনভাবে সাজাতে গিয়ে হিমশিম খাওয়া দুই তরুণী খুঁজতে থাকে আশা।

‘ইট মাস্ট বি হ্যাভেন’ ছবিতে ইলিয়া সুলেমান

প্যারালাল বিভাগের ছবিগুলোর মধ্যে ফিপরেস্কি পেয়েছে ডিরেক্টরস ফোর্টনাইটে নির্বাচিত ‘দ্য লাইটহাউস’। এর গল্প আশির দশকের প্রত্যন্ত অঞ্চল ও রহস্যময় নিউ ইংল্যান্ড আইল্যান্ডের দুই লাইটহাউস কিপারকে ঘিরে। এ দুটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন উইলেম ড্যাফো ও রবার্ট প্যাটিনসন। 

ফিপরেস্কি বিচারক প্যানেলে এবার ছিলেন বাংলাদেশের নারী চলচ্চিত্র কর্মী সাদিয়া খালিদ রীতি। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মঞ্চে দেখা গেছে তাকে।

অনুষ্ঠানে ইকুমেনিকাল জুরি পুরস্কার পেয়েছে প্রতিযোগিতা বিভাগে নির্বাচিত টেরেন্স মালিকের ‘অ্যা হিডেন লাইফ’। এতে রয়েছে একটি সত্যি ঘটনা। অচেনা নায়ক ফ্রাঞ্জ ইয়েগারস্টাটার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসিদের জন্য যুদ্ধে অস্বীকৃতি জানান। এ কারণে অস্ট্রিয়ান এই কৃষক রাষ্ট্রদ্রোহের দায়ে মৃত্যুদন্ডের হুমকির মুখোমুখি হয়। কিন্তু স্ত্রী ফনি ও সন্তানদের প্রতি ভালোবাসা তাকে উদ্দীপ্ত রাখে।

*ফ্রান্সের সময়ের সঙ্গে বাংলাদেশের পাঠকদের চার ঘণ্টা যোগ করে নিতে হবে।

/জেএইচ/এমএম/

লাইভ

টপ