করোনাকালে রেকর্ড পরিমাণ অনুদান পেলো চলচ্চিত্র

Send
বিনোদন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২২:৩৩, জুন ২৭, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ০০:১০, জুন ২৮, ২০২০

মুশফিকুর রহমান গুলজার, গিয়াস উদ্দিন সেলিম, ফাখরুল আরেফীন, বদরুল আনাম সৌদ, অনম বিশ্বাস, এসএ হক অলিক ও মোস্তাফিজুর রহমান মানিক  করোনা পরিস্থিতিতে ১৬টি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও ৯টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের জন্য অনুদান দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে। যা সংখ্যার বিচারে রেকর্ড। আবার বাজেটের বিচারেও এবারের অনুদান সর্বোচ্চ।

এর মধ্যে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য ৮ কোটি ৫৯ লাখ টাকা ও স্বপ্লদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের জন্য ১ কোটি ৫২ লাখ ৫০ হাজার টাকা অনুদান বরাদ্দ হয়েছে।
শনিবার, ২৭ জুন এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তথ্য মন্ত্রণালয় এসব তথ্য প্রকাশ করেছে।
‘টুঙ্গিপাড়ার দুঃসাহসী খোকা’ নামের চলচ্চিত্রের জন্য সর্বোচ্চ ৭০ লাখ টাকা অনুদান পাচ্ছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা মুশফিকুর রহমান গুলজার। এছাড়াও ‘কাজলরেখা’র জন্য গিয়াস উদ্দিন সেলিম, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘যোদ্ধা’র জন্য এস এ হক অলিক, মোস্তাফিজুর রহমান মানিকের ‘আশীর্বাদ’ ও ‘শ্যামা কাব্য’ চলচ্চিত্রের জন্য বদরুল আনাম সৌদ অনুদান পাচ্ছেন।
মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, করোনাভাইরাস সংকট থেকে চলচ্চিত্র শিল্পের উত্তরণের জন্য অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর অধিক সংখ্যক চলচ্চিত্রের জন্য অনুদান দিয়েছে সরকার।
পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র-
প্রদীপ ঘোষের প্রযোজনা ও পরিচালনায় ‘ভালোবাসা প্রীতিলতা’, মুশফিকুর রহমান গুলজার পরিচালনা ও প্রযোজনায় ‘টুঙ্গিপাড়ার দুঃসাহসী’, গিয়াস উদ্দিন সেলিমের ‘কাজলরেখা’, অনুপম কুমার বড়ুয়ার প্রযোজনা ও সন্তোষ কুমার বিশ্বাসের পরিচালনায় ‘ছায়াবৃক্ষ’, রওশন আরা রোজিনার প্রযোজনা ও পরিচালনায় ‘ফিরে দেখা’, এম এন ইস্পাহানীর প্রযোজনা ও ইস্পাহানী আরিফ জাহানের পরিচালনায় ‘হৃদিতা’, ফজলুল কবীর তুহিনের প্রযোজনা ও পরিচালনায় ‘গাঙকুমারী’, তাহেরা ফেরদৌস জেনিফারের প্রযোজনা ও মোস্তাফিজুর রহমান মানিকের পরিচালনায় ‘আশীর্বাদ’, ইফতেখার আলমের প্রযোজনা ও পরিচালনায় ‘লেখক’, আবদুল মমিন খানের প্রযোজনা ও মনজুরুল ইসলামের ‘বিলডাকিনী’।
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র-
পংকজ পালিতের প্রযোজনা ও পরিচালনায় ‘একটি না বলা গল্প’, অনম বিশ্বাসের প্রযোজনা ও পরিচালনায় ‘ফুটবল ৭১’ ও এসএ হক অলিকের ‘যোদ্ধা’।
শিশুতোষ চলচ্চিত্র-
আমিনুল হাসান লিটুর প্রযোজনা ও আউয়াল রেজার পরিচালনায় ‘মেঘ রোদ্দুর খেলা’ ও নুরে আলমের প্রযোজনা ও পরিচালনায় ‘রাসেলের জন্য অপেক্ষা’।
২৫ ছবির তালিকা ও অনুদানের পরিমাণস্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র-
প্রবীর কুমার সরকারের প্রযোজনা ও পরিচালনায় ‘আগন্তুক’, শরীফ রেজা মাহমুদের প্রযোজনা ও পরিচালনায় ‘প্রাচীন বংশের নিঃস্ব সন্তান’, এবিএম নাজমুল হুদার প্রযোজনা ও পরিচালনায় ‘প্রথম রূপকথার বই’, দেবাশীষ দাশের প্রযোজনা ও পরিচালনায় ‘মুকুলের জাদুর ঘোড়া’ (শিশুতোষ), সাজেদুল ইসলামের প্রযোজনা ও পরিচালনায় প্রামাণ্যচিত্র ‘পটুয়া’, ফাখরুল আরেফীন খানের প্রামাণ্যচিত্র ‘অবিনশ্বর’, সোহেল আহমেদ সিদ্দিকীর ‘ধূসর দিগন্ত’, মিতালি রায়ের ‘দূরে’ ও চৈতালি সমাদ্দারের ‘মরিয়ম’।
এবারের অনুদানে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ ৭০ লাখ টাকা পাচ্ছেন মুশফিকুর রহমান গুলজার। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বহুদিন ধরেই বঙ্গবন্ধুর কৈশোরকাল নিয়ে চলচ্চিত্রটি নির্মাণের স্বপ্ন ও পরিকল্পনা ছিল। জন্মশতবার্ষিকীতে এসে সেটা হতে যাচ্ছে, এটা আনন্দের। এখানে বঙ্গবন্ধুর শৈশব উঠে আসবে। থাকবে মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, ঢাকা ও কলকাতাসহ বিভিন্ন স্থান। এটি তৈরিতে প্রায় দেড় কোটি টাকা খরচ হবে। সরকার অনুদান দেওয়াতে এই কাজটি করা আমার জন্য সহজ হলো। সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।’

/এম/এমএম/

লাইভ

টপ