এস এম সোলায়মানের জন্মদিনে অন্তর্জাল আয়োজন

Send
বিনোদন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৩:৪৯, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ০১:২৬, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২০

এস এম সোলায়মান, শিমুল খান ও সেলিম মাহবুবএকুশে পদকপ্রাপ্ত নাট্যজন এস এম সোলায়মানের ৬৭তম জন্মদিন আজ (২৯ সেপ্টেম্বর)।
এ উপলক্ষে থিয়েটার পত্রিকা ‘ক্ষ্যাপা’ সাজিয়েছে অন্তর্জাল আয়োজন। এতে থাকবে নাটকের গান, আলোকচিত্র ও ভিডিও প্রদর্শন।
এই আয়োজনে সরাসরি অংশ নিয়ে বাংলাদেশের নাট্যমঞ্চের নন্দিত শিল্পী সেলিম মাহবুব ও শিমুল খান গেয়ে শোনাবেন এস এম সোলায়মান রচিত ও নির্দেশিত বিভিন্ন নাটকের গান। পাশাপাশি আবু সুফিয়ান বিপ্লব নির্মিত এস এম সোলায়মানের ওপর একটি তথ্যচিত্র দেখানো হবে অনুষ্ঠানে।
পুরো আয়োজনটি সরাসরি সম্প্রচার হবে আজ (মঙ্গলবার) রাত সাড়ে ১০টা থেকে ক্ষ্যাপা’র ফেসবুক পেইজ থেকে। সঞ্চালনা করবেন সাংবাদিক ও নাট্যকর্মী পাভেল রহমান।
১৯৫৩ সালের ২২ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন এস এম সোলায়মান। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে নাট্যচর্চায় যুক্ত হন এবং বাংলাদেশের নবনাট্য আন্দোলনে ভূমিকা রাখেন। মাত্র ৪৮ বছরের জীবনে তিনি বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের দুই দফা সেক্রেটারি জেনারেলের দায়িত্ব পালন করেন। কালান্তর, পদাতিক নাট্য সংসদ, ঢাকা পদাতিক, অন্যদল ও থিয়েটার আর্ট ইউনিটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন তিনি। ৩০টির বেশি নাটক রচনা, রূপান্তর ও নির্দেশনা দিয়েছেন।
সোলায়মানের উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে রয়েছে ‘কোর্ট মার্শাল’, ‘গোলাপজান’, ‘আমিনা সুন্দরী’, ‘এই দেশে এই বেশে’, ‘গণি মিয়া একদিন’ ‘ক্ষ্যাপা পাগলার প্যাঁচাল’। ২৫টিরও বেশি টেলিভিশন নাটক রচনা করেছেন। নির্মাণ করেছেন অসংখ্য ভিডিওচিত্র, ডকুমেন্টারি, টিভি নাটক ইত্যাদি। প্রকাশিত হয়েছে তার রচিত ও সুরারোপিত কয়েকটি মিউজিক ভিডিও অ্যালবাম, গান ও গীতিনাট্যের ক্যাসেট। তার রচিত ও সুরারোপিত অধিকাংশ গান এখনও অপ্রকাশিত। তার রচিত ও নির্দেশিত নাটক ‘আমিনা সুন্দরী’ আমেরিকা অব ব্রডওয়েতে মঞ্চস্থ প্রথম বাংলা নাটক হওয়ার গৌরব অর্জন করে। ১৯৮৩ সালে তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তার স্ত্রী রোকেয়া রফিক বেবী এবং একমাত্র কন্যার নাম আনিকা মাহিন একা।
শিল্পচর্চার স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৪ সালে একুশে পদক লাভ করেন তিনি। এছাড়া রংপুর পদাতিক সম্মাননা (১৯৮৮), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফ্লোরিডা সম্মাননা (১৯৯৪), বাংলাদেশ থিয়েটার অব আমেরিকা সম্মাননা (১৯৯৫), বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি পুরস্কার (১৯৯৬), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব লসএঞ্জেলেস সম্মাননা (১৯৯৬), সুবচন নাট্য সংসদ (১৯৯৬), চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা সম্মাননা (১৯৯৭), থিয়েটার আর্ট ইউনিট সম্মাননা (১৯৯৮), মহাকাল নাট্য সম্প্রদায় সম্মাননা (২০০০), আরণ্যক নাট্যদলের ‘দীপু স্মৃতি পদক’ (মরণোত্তর-২০০১) এবং ঢাকা পদাতিকের ‘আবুল কাশেম দুলাল স্মৃতি পদক’ (মরণোত্তর-২০০২) লাভ করেন তিনি।
২০০১ সালের ২২ সেপ্টেম্বর মারা যান তিনি।

/এমএম/এমওএফ/

লাইভ

টপ