গত জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে গান নিয়ে ইউরোপ ট্যুর শুরু করেছেন ‘নগর বাউল’ জেমস। ২৫ জুলাই লন্ডনে কনসার্টের মাধ্যমে শুরু হয় তার এই গানের সফর
এই সফরে এক যুগ পর আবারও ইতালির রাজধানী রোমে মঞ্চে উঠলেন জেমস। ১৬ আগস্ট ইতালির রোমে অনুষ্ঠিত হয় তার কনসার্ট।
তবে কনসার্টের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা বিতর্কিত আলোচনা চলছে। কেউ বলছেন ইতালিতে মাফিয়া সাংবাদিকদের চাঁদার দাবির মুখে পড়েছেন ‘রকস্টার’। আবার জেমসের বিরুদ্ধে হোটেলের কক্ষ নোংরা করে রেখে যাওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
ফেসবুকের ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে দেখা যায়, কক্ষের মেঝেতে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের পানির বোতল ও বিভিন্ন আবর্জনা পড়ে আছে। ডাইনিং টেবিলে রয়েছে ব্যবহৃত প্লেট, পলিথিনের ব্যাগ ও খাবারের উচ্ছিষ্ট। রান্নাঘরের সিঙ্কেও নোংরা থালা-বাসনের পাশাপাশি কাঁচা ডিম পড়ে থাকতে দেখা যায়।
এ ঘটনায় হোটেল কর্তৃপক্ষ জেমসকে ২০০ ইউরো জরিমানা করেছেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে দাবি করছেন। কিন্তু এ নিয়ে বাংলা ট্রিবিউনকে ভিন্ন কথা জানালেন জেমসের মুখপাত্র রুবাইয়াত ঠাকুর রবিন।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে তিনি বলেন, ‘যে রুম নিয়ে অভিযোগ, সে রুমে ছিলেন না জেমস। আমাদের মোট চারটি কক্ষ ছিল। জেমস ছিলেন ৩৪৫ নম্বর কক্ষে, আমি ছিলাম ২৪৬ নম্বর কক্ষে। হোটেল কর্তৃপক্ষের অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৫৪৯ নম্বর কক্ষে ছিলেন অন্য এক মিউজিশিয়ান। তিনি আমাদের নগরবাউলের সদস্য নন। তিনি অতিথি মিউজিশিয়ান ছিলেন। তাই একজনের কক্ষের অবস্থার দায় জেমসের ওপর দেওয়া ঠিক হবে না। তাকে নিয়ে এই ধরনের মিথ্যাচার কারও কাছেই কাম্য নয়।’
রবিন আরও বলেন, ‘হোটেল কতৃপক্ষ জেমসকে নয়, যারা হোটেল বুকিং দিয়েছেন তাদের অভিযোগ করেছেন।’
এই অপপ্রচারের পেছনে কনসার্ট আয়োজনকারিকে দায়ি করছেন রবিন।
তিনি বলেন, ‘এই কনসার্ট আয়োজন করেছেন আবুল মুয়াজ নামের একজন। তিনি এর আগেও বাংলাদেশ থেকে শিল্পী নিয়ে এমন বিতর্কিত কাজ করেছেন। সব কনসার্টের মতো এ কনসার্টেও আমাদের সঙ্গে তাদের একটি চুক্তি হয়েছে। যদি চুক্তির কোনও কিছু না মেনে থাকি, তাহলে আমাদের বিরুদ্ধে তারা আইনি ব্যবস্থা নিতে পারেন। আমরা তো ইতালির বাইরে যাইনি, ভেনিসেই আছি।’
আগামী ২২ সেপ্টেম্বর ট্যুর শেষে দেশে ফিরবেন ‘নগরবাউল’ জেমস।

সালমানের ব্যক্তিস্বত্ব লঙ্ঘনের অভিযোগ: ‘কালা হিরান’এর টিজার সরানোর নির্দেশ






