পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে হাওড়া দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে রুদ্রনীল ঘোষের জয়ের পর তাকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন টলিউড সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। গণমাধ্যমের বরাতে ছড়িয়ে পড়া ফোন কলটি ঘিরেই টলিপাড়ায় শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা-কল্পনা। তবে সেই জল্পনায় জল ঢেলে প্রসেনজিৎ স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, এই শুভেচ্ছার সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। ফোন কলটিও তার পক্ষ থেকে যায়নি।
সংবাদমাধ্যম বরাতে জানা যায়, ভোটের ফল প্রকাশের পরেই রাতে রুদ্রনীল ঘোষকে ফোন করেন প্রসেনজিৎ। রুদ্রনীল নিজে সংবাদমাধ্যমের কাছে সেই ফোন কলের কথা স্বীকার করে জানান, প্রসেনজিৎ তাকে বড় দাদার মতো শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এরপরই বিভিন্ন মহলে জল্পনা শুরু হয়— তবে কি প্রসেনজিৎও কোনও বিশেষ রাজনৈতিক শিবিরের দিকে ঝুঁকছেন?
এই বিতর্কের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার বিকালে অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “আমি দীর্ঘ বহু বছর ধরে অত্যন্ত সম্মানের সঙ্গে অভিনয় করে আসছি এবং আগামীদিনেও ঠিক একইভাবে কাজ করে যেতে চাই। আপনাদের সবার কাছে আমার একটাই বিনীত অনুরোধ— দয়া করে আমার গায়ে কোনও রাজনৈতিক রঙ লাগাবেন না।”
তিনি আরও যোগ করেন, “আমি কাউকে নিজে থেকে ফোন করিনি; বরং আমার ছোট ভাই ফোন করেছিল আমাকে। বড় দাদা হিসেবে কাউকে আশীর্বাদ করা আমার কর্তব্য, আর আমি কেবল সেই টুকুই পালন করেছি। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগসূত্র নেই।”
প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় বরাবরই নিজেকে সরাসরি সক্রিয় রাজনীতি থেকে দূরে রেখেছেন। তার মতে, শিল্পীর কোনও দল হয় না। রুদ্রনীল ঘোষকে তিনি দীর্ঘদিনের সহকর্মী এবং অনুজ মনে করেন। সেই জায়গা থেকেই এই আশীর্বাদ বা কথোপকথন।




