মিনেসোটা পুলিশ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সঙ্গীত শিল্পী প্রিন্সের আকস্মিক মৃত্যুরহস্য উন্মোচনে তাদের সঙ্গে যোগ দিচ্ছে ইউএস অ্যাটর্নি অফিস বা বিচারিক কার্যালয় এবং ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা মাদক বিভাগ।
বুধবার কারভার কাউন্টি শেরিফ কার্যালয়ের কর্মকর্তা জেসন ক্যামেরুড এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘তারা ফেডারেল সোর্স থেকে তথ্য দিয়ে আমাদের তদন্তে সহায়তা করবেন।’
প্রসঙ্গত, গত ২১ এপ্রিল নিজের স্টুডিওর এলিভেটরের ভেতরে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সঙ্গীত শিল্পী প্রিন্সকে।মাত্র ৫৭ বছর বয়সে এই প্রতিভাধর শিল্পীর মৃত্যুর কারণ জানতে তার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।প্রাথমিকভাবে ময়নাতদন্তে আত্মহত্যার কোন আলামত পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন: ‘আত্মহত্যা করেননি প্রিন্স’
এরপর গত ২৭ এপ্রিল ময়নাতদন্তের বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করে কর্তৃপক্ষ। সেখান থেকে জানা যায় বেদনানাশক হিসেবে আফিম নিচ্ছিলেন প্রিন্স। আফিম নেওয়ার বিষয়টি প্রকাশিত হওয়ায় প্রিন্সের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন যুক্তরাষ্ট্রের মাদক বিভাগ ইউএস ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের কাছে নেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: প্রিন্সের সম্মানে আবারও প্রেক্ষাগৃহে পার্পল রেইন
প্রিন্সের জন্ম ১৯৫৪ সালে। মাত্র সাত বছর বয়সে তিনি গান লিখতে শুরু করেন। সঙ্গীত শিল্পী হিসেবে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে অবস্থান করতে শুরু করেন ১৯৮০র দশক থেকে। প্রিন্স ছিলেন একাধারে বাদক, গায়ক, কবি ও সুরস্রষ্টা। সঙ্গীত অঙ্গনে ব্যাকরণ ও প্রযুক্তির উন্নতিতেও ভূমিকা রেখেছেন তিনি।
সূত্রঃ দ্য গার্ডিয়ান
/ইউআর/








