ভারতের মাওবাদী তাত্ত্বিক নেতা কোবাদ গান্ধীকে সন্ত্রাসবাদ এবং নাশকতার সব অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়েছেন দিল্লির একটি আদালত। তবে প্রতারণা ও জালিয়াতির জন্য তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বরে গ্রেফতারের পর থেকে যে সময়টা তিনি ইতোমধ্যেই জেলে কাটিয়েছেন, তা তার শাস্তির মেয়াদ বলে ঘোষণা করেছেন আদালত।
শুক্রবার (১০ জুন) এ রায় ঘোষণার পর এখন আর কোবাদ গান্ধীর জেল থেকে মুক্তি পেতে কোনও বাধা নেই। জানা গেছে, কোবাদ গান্ধীর বিরুদ্ধে বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন (ইউএপিএ)-এর ২০ এবং ৩৮ ধারায় নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্য হওয়া এবং সেই সংগঠনের কার্যকলাপ বাড়ানোর চেষ্টা করার অভিযোগে মামলা চলছিল। ওই মামলায় তাকে নির্দোষ ঘোষণা করেছেন অতিরিক্ত দায়রা বিচারক রীতেশ সিং।
পশ্চিমবঙ্গের শালবনীতে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের গাড়ি বহরে বিস্ফোরণ ঘটানোর পেছনেও তার হাত ছিল বলে তদন্তকারীরা দাবি করেছিলেন। কিন্তু সে সব অভিযোগ আদালতে প্রমাণ করা যায়নি।
২০০৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর দিল্লির ভিখাজি কামা প্লেস থেকে গ্রেপ্তার হন কোবাদ গান্ধী। পুলিশের দাবি ছিল, নিষিদ্ধ মাওবাদী সংগঠন সিপিআই-মাওবাদীর একটি নতুন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার জন্যই দিল্লিতে এসেছিলেন কোবাদ এবং এ কাজে তাকে সাহায্য করেছিলেন রাজিন্দর কুমার। যাকে ২০১০ সালের মার্চে গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু ওই অভিযোগের সপক্ষে প্রমাণ দিতে পারেনি পুলিশ। প্রসঙ্গত, ওইদিন রাজিন্দরকেও সন্ত্রাসের অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়েছেন আদালত। তবে তিনিও প্রতারণা ও জালিয়াতির জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।
আরও পড়ুন:
আলীর শেষকৃত্যে বক্তব্য দেওয়া হলো না এরদোয়ানের
কাশ্মিরে ‘খিলাফত’ কায়েম করতে চায় আইএস!
কানহাইয়ারা ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ স্লোগান দিয়েছিলেন: দাবি পুলিশের
/এসএ/








