গত বছর ট্রাম্পের পরিকল্পনাকে ‘আগ্রাসী ও সংবিধানবিরোধী’ বলে টুইট করেছিলেন মাইক পেন্স। এ ছাড়াও বিভিন্ন বিষয়ে মতবিরোধ বা অবস্থানগত ভিন্নতা রয়েছে এই দুই সহযোগী রাজনীতিবিদের মধ্যে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী সঙ্গী হিসেবে ইন্ডিয়ানা গভর্নর মাইক পেন্সকেই চাইছেন রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে তা ঘোষণা করার কথা থাকলেও ফ্রান্স হামলার কারণে তা বাতিল করা হয়। সূত্র জানায়, মাইক পেন্স ট্রাম্পের প্রস্তাবে সম্মত হয়েছেন। ‘আগ্রাসী ও সংবিধানবিরোধী’ ট্রাম্পেরই সঙ্গী হচ্ছেন পেন্স।
তবে ট্রাম্প ফক্স নিউজকে জানিয়েছেন, এ বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি তিনি। তবে মাইক পেন্স তাকে সাহায্য করতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
মাইক পেন্স ছাড়াও ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে আসতে পারেন সাবেক হাউজ স্পিকার নিউট গিংরিচ ও নিউ জার্সির গভর্নর ক্রিস ক্রিসটি।
আরও পড়ুন: 'মিথ্যাবাদী' আখ্যা পেলেন নতুন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জনসন
মাইক পেন্স ইন্ডিয়ানা গভর্নরের দায়িত্ব পালন করা ছাড়াও ১২ বছর ধরে ইউএস হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভের সদস্য হিসেবে আছেন।এ ছাড়াও কঠোর রক্ষণশীলদের কোয়ালিশন রিপাবলিকান স্টাডি গ্রুপের প্রধান হিসেবেও কাজ করেছেন মাইক পেন্স।
তবে পেন্সের ক্যারিয়ারের সবটুকুই নিখুঁত নয়, গভর্নর হিসেবে তার রাজ্যের ‘ধর্মীয় স্বাধীনতা’ আইনকে চ্যালেঞ্জ জানান এলজিবিটি অধিকার কর্মী ও ব্যবসায়ীরা। ইন্ডিয়ানার ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক বিলকে সমকামীবিরোধী হিসেবেও দেখা হয়ে থাকে। এছাড়াও গর্ভপাতবিরোধী অবস্থানও রয়েছে গভর্নর পেন্সের।
আবার পেন্স যখন ইন্ডিয়ানার দরিদ্রদের জন্য সরকারি স্বাস্থ্য সেবার পরিধি বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নেন, তার সেই সিদ্ধান্তকেও প্রথাবিরোধী হিসেবে সমালোচনা করেন অনেকে।
সূত্র: বিবিসি
/ইউআর/বিএ/








