আমেরিকান ঐতিহ্য অনুযায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট আর ফার্স্ট লেডিরা স্টেট অব ইউনিয়ন বক্তৃতা করতে একসঙ্গেই ক্যাপিটলে গিয়ে থাকেন। ট্রাম্পের সঙ্গে দূরত্বের গুঞ্জনের মধ্যেই এবার সেই আমেরিকান ঐতিহ্য ভাঙলেন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন খবর দিয়েছে, ট্রাম্পের সঙ্গে নয়, রীতি ভেঙে মেলানিয়া আলাদা গেছেন বক্তৃতাস্থলে। আরেক মার্কিন সংবাদমাধ্যম ভক্স নিউজ একে ‘অপ্রত্যাশিত সাইড ড্রামা’আখ্যা দিয়েছে। ভাষণ শেষে ফেরার সময় অবশ্য ট্রাম্পের সঙ্গেই ফিরেছেন তিনি। হোয়াইট হাউসের দাবি, কেবল অতিথিদের সময় দিতেই যাওয়ার সময় আলাদা গাড়িতে গেছেন মার্কিন ফার্স্ট লেডি।
সম্প্রতি ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড ডেইলি মেইল খবর দেয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাবেক পর্নো-তারকা ড্যানিয়েল স্টর্মের সম্পর্কের অভিযোগ ওঠার পর তার স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প তাকে ছেড়ে বিলাসবহুল এক হোটেলে গিয়ে উঠেছিলেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হোয়াইট হাউস সূত্রকে উদ্ধৃত করে মেইল অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়, স্টর্মের সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্কের গুঞ্জন ওঠার পর থেকে বেশ কিছু সময় আলাদা বসবাস করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট আর ফার্স্টলেডি।
সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভাষণে আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গেই সময় কাটিয়েছেন ফার্স্টলেডি মেলানিয়া। তার জনসংযোগ কর্মকর্তা স্টিফেনি গ্রিসহাম সিএনএনকে জানিয়েছেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স-এর স্ত্রী সেকেন্ড লেডি ক্যারেন পেন্সের সঙ্গে আন্তরিক সময় কাটিয়েছেন মেলানিয়া। ক্যারেন একইসঙ্গে একজন শিক্ষক ও চিত্রশিল্পী।
ভক্স নিউজ লিখেছে, মেলানিয়া আলাদা করে একা হেঁটে হেঁটে বক্সে আসেন। বিষয়টি দর্শকদের নজর এড়ায়নি। হোয়াইট হাউসের তরফ থেকে প্রেসসচিব সারোহ হুকাবে এ সম্পর্কে বলেন, ‘অতিথিদের সময় দেওয়া এবং সরাসরি চলে যাওয়ার বাইরে মেলানিয়ার একা যাওয়ার কোনও কারণ নাই।’
ট্রাম্পের দাভোস সফরকােল সফরসঙ্গী হিসেবে ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের সঙ্গে ছিলেন না। মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন সে সময় জানায়, ‘বিপুল ব্যস্ততাকে’ সফরে না যাওয়ার কারণ দেখিয়ে মেলানিয়া গেছেন অবকাশযাপনে। এরআগে তিনি গিয়েছিলেন হলোকাস্ট মিউজিয়ামে। আরেক মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক পোস্ট-এর দাবি, মেলানিয়া ফাস্ট লেডির পরিচয়টি বহন করতে তেমন একটা আগ্রহী নন, থাকতে চান নিজের মতো। এতে প্রশ্ন ওঠে প্রেসিডেন্ট-ফার্স্টলেডি সম্পর্ক নিয়ে।







