ইন্দোনেশিয়ায় স্কুলে ফিরছে শিশুরা, বন্ধুকে খুঁজছে বন্ধুর চোখ

বিদেশ ডেস্ক
০৮ অক্টোবর ২০১৮, ২০:০৩আপডেট : ০৮ অক্টোবর ২০১৮, ২০:১১

ভূমিকম্পে ভয়াবহ ক্ষতিগ্রস্ত ইন্দোনেশিয়ার পালু শহরে স্কুল যেতে শুরু করেছে শিশুরা। ১০ দিনের বিভীষিকা কাটিয়ে আবার স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা শিক্ষার্থীদের। একইসঙ্গে তাদের চোখ খুঁজে বেড়াচ্ছে প্রিয় বন্ধুদের। সবাই ভালো আছে তো, ঠিক আছে তো এই আশা ও আশঙ্কার মাঝেই সোমবার স্কুলে যেতে শুরু করেছে তারা।  

ইন্দোনেশিয়ায় স্কুলে ফিরছে শিশুরা, বন্ধুকে খুঁজছে বন্ধুর চোখ

গত ২৮ সেপ্টেম্বরের (শুক্রবার) ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ওই ভূমিকম্প ও সুনামিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় পালু, বালারোয়া ও পেতোবো এলাকা। এসব এলাকার  নরম মাটি কাঁদায় পরিণত হয়। ভাসিয়ে নিয়ে যায় বাড়িঘর। আশঙ্কা করা হচ্ছে, শত শত মানুষ মাটির নিচে চাপা পড়েছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ। তাদের আশঙ্কা এই সংখ্যা পাঁচ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

একটি স্টেট হাই স্কুলে শিশুরা ধুসর-সাদা ইউনিফর্মে ক্লাস শুরু করে। স্কুলের চেহারা আগের মতো নেই। ভাঙা গ্লাস ও মেঝেতে পড়ে থাকা ট্রফিগুলোর মাঝেই জীবনের স্বাভাবিকতা খুঁজতে শুরু করেছে তারা। ভূমিকম্পে প্রিয় বাস্কেটবল কোর্ট ভেঙে যাওয়াটাও হৃদয় বিদারক তাদের জন্য।

তবে সবচেয়ে বেশি খুঁজে ফিরছে বন্ধু ও সহপাঠীদের। দেই রাহমাওয়াতি নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, স্কুলকে এমন অবস্থায় দেখে খুবই মন খারাপ।

স্কুলের অধ্যক্ষ কাসিউদ্দিন বলেন, সব শিক্ষকদের বলা হয়েছে যেন তারা শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করে। তিনি বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের স্কুলে আসারা জন্য বাধ্য করবো না। কারণ তাদের অনেকেই বিভীষিকা কাটিয়ে উঠতে পারেনি। তবে আমাদের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক করার জন্য স্কুল অবশ্যই চালু করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, স্কুলটির অন্তত সাতজন শিক্ষার্থী ও একজন শিক্ষক ভূমিকম্পে প্রাণ হারিয়েছেন।

পুরো শহরে ৯ টি স্কুল ধ্বংস হয়ে গেছে এবং ২২ জন শিক্ষক নিহত হয়েছেন। ক্লাস নেওয়ার জন্য ১৪০ টি তাবু টানানো হয়েছে।

 

 

/এমএইচ/
সম্পর্কিত
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
উচ্চ ক্ষমতার কার্বন ফাইবারের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু চীনে
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
সর্বশেষ খবর
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী