নয় বছর আগে নিউ জিল্যান্ডে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি গ্রুপ তৈরি করে একটি এডুকেশন অ্যাপ। বর্তমানে এর কর্মী রয়েছে ৫৩ জন। দেশটির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল কোম্পানি নির্বাচিত হয়েছে এটি। আর তা উদযাপন করতে সব কর্মীকে দশ হাজার নিউ জিল্যান্ডের ডলার ধন্যবাদ বোনাস দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কোম্পানিটি।
এডুকেশন অ্যাপটির নাম কামি। জাপানি ভাষার শব্দটির অর্থ কাগজ। এটি একটি ডিজিটাল ক্লাসরুম প্লাটফর্ম অ্যাপ। এতে ক্লাসরুমে কিংবা দূরে থেকেও শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা যোগাযোগ রক্ষা, নথি সংরক্ষণ করতে পারে।
২০১৩ সালে কামি প্রতিষ্ঠা করেন অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হেনজি ওয়াং, জর্ডান থমাস এবং অ্যালিভ স্যামসন। ডিজিটালি নোট নেওয়ার পরিকল্পনা থেকেই অ্যাপটি চালু করেন তারা। বর্তমানে এই সেবাটি বিশ্বের ১৮০টি দেশে ব্যবহার হচ্ছে। ৩ কোটির বেশি শিক্ষক শিক্ষার্থী এটি ব্যবহার করছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ৯০ শতাংশের বেশি স্কুল এই প্লাটফর্মটি ব্যবহার করছে।
গত সপ্তাহে ডেলোত্তি ফাস্ট ৫০ ইনডেক্সে প্রথম স্থান অর্জন করে অ্যাপটি। গত তিন বছর কোম্পানির আয় এক হাজার ১৭৭ শতাংশ বেড়েছে।
করোনা মহামারির ভয়ঙ্কর সময়ে অ্যাপটি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্লাটফর্মটি বিনামূল্যে ব্যবহারের সুযোগ দেয়। রাতারাতি বিক্রি পড়ে যায়। কোম্পানির প্রধান নির্বাহী হেনজি ওয়াং জানান প্লাটফর্মটির ভবিষ্যত সুরক্ষায় শিক্ষকেরা মূল্য পরিশোধ করতে শুরু করলে পরিস্থিতি বদলে যায়।
ফাস্ট ৫০ ইনডেক্সে প্রথম স্থান অর্জন এবং ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩ কোটি অতিক্রম করায় কোম্পানিটি কর্মীদের পুরস্কৃত করার সিদ্ধান্ত নেয়। ওয়াং বলেন, ‘আমাদের টিম দুর্দান্ত দীর্ঘ সময় কাজ করেছে। গত ১৮ মাসে তারা বিপুল আত্মত্যাগ করেছে, বিশ্ব জুড়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সহায়তা দিয়েছে। আমরা তাদের ধন্যবাদ বলতে চাই আর তাদের অর্জনকে স্বীকৃতি দিতে চাই।’









