প্রেসিডেনশিয়াল গার্ডসের বাধার মুখে ইউনকে গ্রেফতারে ক্ষান্ত দিলো দ. কোরীয় কর্তৃপক্ষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৩ জানুয়ারি ২০২৫, ১৭:৫৯আপডেট : ০৩ জানুয়ারি ২০২৫, ১৯:২৩

প্রেসিডেনশিয়াল গার্ড ও সেনা সদস্যদের বাধার মুখে দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে গ্রেফতারে অবশেষে আজকের মতো ক্ষান্ত দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) সকাল থেকে শুরু করে টানটান উত্তেজনাকর ছয় ঘণ্টা অতিবাহিত হওয়ার পর গ্রেফতার প্রচেষ্টা থেকে পিছিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেয় উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের দুর্নীতি তদন্তকারী কার্যালয় (সিআইও)। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।   

এক বিবৃতিতে সিআইও বলেছে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গ্রেফতারি পরোয়ানা বাস্তবায়ন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। নিজেদের কর্মকর্তাদের নিরাপত্তার কথা ভেবে স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টার দিকে তারা গ্রেফতারে ক্ষান্ত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। ইউনের অসহযোগী মনোভাবের জন্য গভীর হতাশা প্রকাশ করেছে তারা। 

ঠিক এক মাস আগে ডিসেম্বরের ৩ তারিখ দেশে সামরিক আইন জারি করে দেশদ্রোহিতার অভিযোগে তদন্তাধীন আছেন ইউন। তিনি দেশটির ইতিহাসে প্রথম কোনও প্রেসিডেন্ট, যার আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমতাচ্যুতি না হলেও তার নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হলো।

সিআইও কর্মকর্তাদের অভিযানের আগেই সেখানে ইউনের শত শত সমর্থক জড়ো হয়েছিলেন। জীবন দিয়ে হলেও অভিশংসিত প্রেসিডেন্টের গ্রেফতার ঠেকাতে বদ্ধপরিকর ছিলেন তারা। তাদের এড়িয়ে প্রেসিডেন্টের রাষ্ট্রীয় বাসভবনের সীমানায় প্রবেশে সক্ষম হলেও সেখানে নিরাপত্তারক্ষীদের বাধার সম্মুখীন হন তারা। 

সিআইও'র এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছেন, প্রেসিডেনশিয়াল সিকিউরিটি সার্ভিস (পিএসএস) ও সেনা সদস্যরা তাদের চেয়ে সংখ্যায় অনেক বেশি ছিলেন। প্রায় দুই শতাধিক পিএসএস ও সেনা সদস্য তাদের পথরোধ করেছিলেন। তাদের কোমরে আগ্নেয়াস্ত্র থাকলেও কেউ সেগুলো ব্যবহারের চেষ্টা করেনি। তবে দুপক্ষ উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়িয়ে পড়ে। 

ওই কর্মকর্তা আরও বলেছেন, অভিশংসনের পর থেকে জনবিচ্ছিন্ন থাকা ইউনকে এই বচসার সময় দেখা যায়নি। 

গ্রেফতার প্রচেষ্টা স্থগিত হওয়ার পর ইউনের আইনজীবীদের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ তদন্ত করার অধিকার সিআইও’র নেই। প্রেসিডেন্টের বাসভবনের মতো সংবেদনশীল নিরাপত্তার এলাকায় ভিত্তিহীন অভিযোগের ভিত্তিতে পরোয়ানা নিয়ে গ্রেফতার করতে আসাটাই বরং ছিল খুবই হতাশাজনক।

/এসকে/এমওএফ/
সম্পর্কিত
মার্কিন যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, চলছে ইসরায়েলি হামলা
ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নে মার্কিন চাপ মানছে না ওমান
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
সর্বশেষ খবর
এই অর্জন বাংলাদেশের শক্তিশালী কূটনৈতিক অবস্থানকে তুলে ধরে: খলিলুর রহমান  
এই অর্জন বাংলাদেশের শক্তিশালী কূটনৈতিক অবস্থানকে তুলে ধরে: খলিলুর রহমান  
‘মুখ খোলো মমতা, জানতে চায় জনতা’ স্লোগানে ইনকিলাব মঞ্চের মশাল মিছিল
‘মুখ খোলো মমতা, জানতে চায় জনতা’ স্লোগানে ইনকিলাব মঞ্চের মশাল মিছিল
আর্জেন্টিনা আরও চার ফুটবলারকে প্রস্তুত রাখছে
আর্জেন্টিনা আরও চার ফুটবলারকে প্রস্তুত রাখছে
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
সর্বাধিক পঠিত
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী