হেফাজতে রাখার সময়সীমা বৃদ্ধির আবেদন কর্তৃপক্ষের, চ্যালেঞ্জ করে আদালতে ইউন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৮ জানুয়ারি ২০২৫, ১৫:৩৪আপডেট : ১৮ জানুয়ারি ২০২৫, ১৫:৩৪

দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে হেফাজতে রাখার সময়সীমা বৃদ্ধির আবেদন করেছেন তদন্তকারীরা। এই আবেদনের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য শনিবার (১৮ জানুয়ারি) আদালতের শুনানিতে হাজির হয়েছেন তিনি। ইউনের আইনজীবীদের বরাতে ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

ইউনের আইনজীবী ইউন কাব কেউন এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, নিজের সম্মান পুনরুদ্ধারের জন্য শুনানিতে উপস্থিত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইউন সুক ইওল। সামরিক আইন জারির বৈধতা সরাসরি ব্যাখ্যা করে দেশদ্রোহের অভিযোগকে ভুল প্রমাণ করবেন তিনি।

সিউল ওয়েস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে স্থানীয় সময় দুপুর ২টার সময় শুনানি আরম্ভ হয়। আটক পরোয়ানার শুনানি সাধারণ ঘণ্টা দুয়েকেই সুরাহা হয়ে যায়। তবে পাল্টাপাল্টি যুক্তিতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তা ৮ থেকে ১০ ঘণ্টাও চলতে পারে। তাই, শুনানির চূড়ান্ত ফল জানতে আগামীকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করারও প্রয়োজন হতে পারে।

সামরিক আইন জারির জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের দুর্নীতি তদন্তকারী কার্যালয়ের পক্ষ থেকে ইউনের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহের অভিযোগ দায়ের করা হয়। গত বুধবার এই অভিযোগে আটক হন তিনি। আটকের পর থেকে জিজ্ঞাসাবাদে কোনও প্রশ্নের জবাব দেননি ইউন। ফলে, তাকে আরও ২০ দিন হেফাজতে রাখার জন্য গতকাল শুক্রবার আরেকটি পরোয়ানার আবেদন করেছেন তদন্তকারীরা। দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে এর আগে ক্ষমতায় থাকা কোনও প্রেসিডেন্টকে আটক করা হয়নি।

আদালত প্রাঙ্গণে জড়ো হওয়া ইউনের সমর্থকদের ছত্রভঙ্গ করতে দেখা গেছে পুলিশকে। প্রায় ডজনখানেক গাড়ি ও পুলিশের মোটরবাইকের বহর ইউনকে কড়া নিরাপত্তা দিয়ে আদালতে নিয়ে আসে।

দেশটির আইন অনুযায়ী, একাধিক ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের দায়মুক্তি থাকলেও দেশদ্রোহের অভিযোগে কোনও দায়মুক্তি নেই। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ইউনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে।  

/এসকে/
সম্পর্কিত
মার্কিন যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, চলছে ইসরায়েলি হামলা
ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নে মার্কিন চাপ মানছে না ওমান
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
সর্বশেষ খবর
এই অর্জন বাংলাদেশের শক্তিশালী কূটনৈতিক অবস্থানকে তুলে ধরে: খলিলুর রহমান  
এই অর্জন বাংলাদেশের শক্তিশালী কূটনৈতিক অবস্থানকে তুলে ধরে: খলিলুর রহমান  
‘মুখ খোলো মমতা, জানতে চায় জনতা’ স্লোগানে ইনকিলাব মঞ্চের মশাল মিছিল
‘মুখ খোলো মমতা, জানতে চায় জনতা’ স্লোগানে ইনকিলাব মঞ্চের মশাল মিছিল
আর্জেন্টিনা আরও চার ফুটবলারকে প্রস্তুত রাখছে
আর্জেন্টিনা আরও চার ফুটবলারকে প্রস্তুত রাখছে
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
সর্বাধিক পঠিত
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী