মার্কিন জিম্মিদের মুক্তি না দিলে হামাসের পরিণতি হবে ভয়াবহ: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৬ মার্চ ২০২৫, ০৯:৫৬আপডেট : ০৬ মার্চ ২০২৫, ০৯:৫৬

দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক প্রথা ভেঙে হামাসের সঙ্গে গোপন আলোচনা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গাজায় আটক মার্কিন জিম্মিদের মুক্তি নিশ্চিত করতে এই আলোচনা শুরু হয়েছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কর্মকর্তা বুধবার (৬ মার্চ) দাবি করেছেন। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মার্কিন জিম্মি বিষয়ক দূত অ্যাডাম বোয়েলার হামাসের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করার অনুমতি পেয়েছেন। উল্লেখ্য, হামাসকে সন্ত্রাসী তালিকাভুক্ত করে রেখে ওয়াশিংটন এবং তারা সাধারণত সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত গোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনা করে না।

দুইটি সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে দোহায় হামাস কর্মকর্তাদের সঙ্গে বোয়েলারের বৈঠক হয়েছে। তবে সেখানে হামাসের পক্ষে কে উপস্থিত ছিলেন, তা স্পষ্ট নয়।

হোয়াইট হাউজে সম্প্রতি কয়েকজন মুক্তিপ্রাপ্ত জিম্মির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ট্রাম্প। এরপরই হামাসের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প বলেছেন, অবিলম্বে সব জিম্মিকে মুক্তি দিতে হবে। মৃত জিম্মিদের দেহাবশেষও ফিরিয়ে দিতে হবে। নইলে হামাসের শেষ দেখে ছাড়া হবে!

তিনি আরও লেখেন, আমি ইসরায়েলকে যা দরকার সব পাঠাচ্ছি এই অভিযান শেষ করার জন্য। যদি হামাস আমার কথায় না চলে, তাহলে তাদের একজনও নিরাপদ থাকবে না। গাজার জনগণের জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে, তবে তা তখনই সম্ভব যখন জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া হবে। যদি তা না হয়, তবে হামাস ধ্বংস হবে। এখনই বুঝেশুনে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তাদের। জিম্মিদের মুক্তি না দিলে পরিণতি ভয়াবহ হবে।

হোয়াইট হাউজে প্রত্যাবর্তনের আগেও হামাসকে ‘ভয়াবহ পরিণতির’ হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। সে ধারাবাহিকতাতেই জানুয়ারির মাঝামাঝি যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি বিনিময় চুক্তি হয়েছিল। তিনি দাবি করেন, এটি তার কূটনৈতিক সাফল্য।

সর্বশেষ হুমকির বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করেননি, হামাস তার হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করলে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে হামাস কোনও মন্তব্য করেনি।

/এসকে/
সম্পর্কিত
মার্কিন যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, চলছে ইসরায়েলি হামলা
ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নে মার্কিন চাপ মানছে না ওমান
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
সর্বশেষ খবর
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে