কী, কেন, কীভাবে

উত্তর আফ্রিকায় কেন স্পেনের ‘ছিটমহল’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৩ আগস্ট ২০২৬, ২১:০১আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২৬, ২১:২১

উত্তর আফ্রিকার উপকূলে অবস্থিত স্পেনের ছোট দুটি ছিটমহল দীর্ঘদিন ধরেই প্রতিবেশী দেশ মরক্কোর সঙ্গে স্পেনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি বড় উত্তেজনার কারণ। আফ্রিকার মাটিতে একমাত্র ইউরোপীয় অঞ্চল হিসেবে পরিচিত এই এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে স্বায়ত্তশাসিত শহর-ছিটমহল সেউটা ও মেলিলা। এ ছাড়া মরক্কো উপকূলের কাছে অবস্থিত শাফারিনাস আইল্যান্ডস, আলহুসেমাস আইল্যান্ডস এবং পেনন দে ভেলেজ দে লা গোমেরা নামক কয়েকটি পাথুরে দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত প্লাজাস দে সোবেরানিয়াও এর অন্তর্ভুক্ত।

স্পেন এই ছিটমহলগুলোকে নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করলেও, ১৯৫৬ সালে ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের পর থেকেই মরক্কো স্পেনের এই সার্বভৌমত্ব মেনে নেয়নি এবং অঞ্চলগুলো ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে। এই আঞ্চলিক বিরোধের জেরে স্পেন ও মরক্কোর মধ্যে বহু বছর ধরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সম্প্রতি ৫০ হাজারেরও বেশি অভিবাসী সীমান্ত পেরিয়ে স্পেনের সেউটা ছিটমহলে প্রবেশ করার পর মাদ্রিদ ও রাবাতের মধ্যকার উত্তেজনা আরও চরম আকার ধারণ করেছে। যদিও এদের অধিকাংশকেই মরক্কোতে ফেরত পাঠানো হয়েছে, তবুও কয়েক হাজার মানুষ এখনও সেউটাতে রয়ে গেছেন।

কিন্তু স্পেন কেন আজও আফ্রিকার বুকে এই অঞ্চলগুলো নিজেদের দখলে রেখেছে এবং এগুলোর ভবিষ্যৎ কী?

কেন উত্তর আফ্রিকায় স্পেনের এই ছিটমহল

সেউটা ও মেলিলা ছিটমহল এবং মরক্কো উপকূলের ছোট ছোট দ্বীপগুলো মূলত স্প্যানিশ ঔপনিবেশিক সাম্রাজ্যের সর্বশেষ স্মৃতিচিহ্ন।

১৪১৫ সালে সেউটা প্রথম পর্তুগিজ শাসনের অধীনে আসে এবং ১৫৮০ সালে তা স্পেনের অংশ হয়। অন্যদিকে ১৪৯৭ সালে মেলিলা দখল করেন এক স্প্যানিশ অভিজাত। দীর্ঘ যুদ্ধের পর ১৬৪০ সালে পর্তুগাল পুনরায় স্বাধীনতা লাভ করলেও সেউটা স্প্যানিশ নিয়ন্ত্রণে থেকে যায়।

বার্সেলোনার আইএমএফ-সিএসআইসি-এর নৃবিজ্ঞানী ইয়োলান্দা আইক্সেলা ক্যাব্রে বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, স্পেন লাতিন আমেরিকায় তাদের সর্বোচ্চ বিস্তার ঘটিয়েছিল। ১৮৯৮ সালে কিউবা, কোস্টারিকা ও ফিলিপাইন হারানোর পর তারা আফ্রিকায় মনোযোগ দেয়, যদিও তত দিনে বেশিরভাগ ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শক্তি আফ্রিকার অংশগুলো নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়েছিল।

গত শতাব্দীতে আফ্রিকায় ঔপনিবেশিক শাসন অবসানের পরও সেউটা ও মেলিলা আফ্রিকার মূল ভূখণ্ডে একমাত্র ইউরোপীয় নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল হিসেবে থেকে যায়। ভৌগোলিকভাবে আফ্রিকায় হলেও এই ছিটমহলগুলোকে স্প্যানিশ ভূখণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং এগুলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাহ্যিক সীমানার অংশ।

আইক্সেলা ক্যাব্রে আরও বলেন, স্পেনের জন্য উত্তর আফ্রিকার উপকূলে এই ছিটমহলগুলো টিকিয়ে রাখা প্রতীকীভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এগুলো স্পেনের অতীত সাম্রাজ্যের ঐতিহ্যকে তুলে ধরে, যাকে রাষ্ট্র এখনও ‘বর্বরতার বিপরীতে সভ্যতার বাহক’ বলে মনে করে, যে ধারণাটি কলম্বাস ক্যাথলিক রাজাদের হয়ে আমেরিকা ‘আবিষ্কার’ করেছিলেন বলে যে ন্যারেটিভ প্রচার করা হয়, তার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।

স্বাধীনতার পর ছিটমহলগুলো কেন মরক্কোর কাছে হস্তান্তর করা হয়নি

উত্তর আফ্রিকা ও উত্তর মরক্কোর রিফ পাহাড়ি অঞ্চলের ইতিহাস বিশেষজ্ঞ ও গবেষক সোলিম বালৌয়াতি লাখলাউফি জানান, সেউটা ও মেলিলা আলাদা অঞ্চল হিসেবে টিকে রয়েছে কারণ এগুলোর উৎপত্তির সময়কাল ‘আধুনিক মরক্কোর চেয়েও পুরোনো’।

তিনি বলেন, এগুলো এমন ছিটমহল যা শত শত বছর ধরে দখলে রয়েছে। তবে ১৯৫৬ সালে ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা পাওয়ার পর থেকে মরক্কো ক্রমাগত দাবি করে আসছে যে সেউটা ও মেলিলা। যাকে তারা সেবতাহ এবং মেলিলা বলে এবং প্লাজাস দে সোবেরানিয়া তাদের নিজস্ব ভূখণ্ডের অংশ। ওই স্বাধীনতাকে স্পেন স্বীকৃতি দিলেও নিজেদের ছিটমহলগুলো রেখে দিয়েছিল। মরক্কো এগুলো ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে।

লাখলাউফি বলেন, মরক্কোর রাজনৈতিক দলগুলো স্পেনের সমালোচনার হাতিয়ার হিসেবে সব সময় এই ইস্যুটিকে ব্যবহার করেছে।

ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক উপদেষ্টা এবং মরক্কো ওয়ার্ল্ড নিউজ-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা সমীর বেনিস বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে সেউটা ও মেলিলার ওপর মরক্কোর ভূখণ্ডগত দাবি প্রায়শই স্পেন ও মরক্কোর জটিল দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।

বেনিস বলেন, যদি ১৯৬০-এর দশকের শুরুতে বি-ঔপনিবেশিকীকরণের সুবর্ণ সময়ে মরক্কোর নেতারা বিষয়টিকে জাতিসংঘের সামনে তুলে ধরতেন এবং শহর দুটিকে বিদেশি দখলমুক্ত করার মতো ঔপনিবেশিক ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃতি চাইতেন, তবে হয়তো এই ইস্যুটি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে এতটা ক্ষতিকর প্রভাব ফেলত না।

তিনি জানান, দুটি প্রধান কারণে মরক্কো সরকার একযোগে জাতিসংঘের কাছে যাওয়ার কৌশল থেকে পিছিয়ে এসেছিল:

প্রথমত, স্পেন ও মরক্কোর মধ্যে আঞ্চলিক বিরোধের মাত্রা ছিল বিশাল। একাধিক ভূখণ্ডের ওপর স্প্যানিশ নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে একযোগে লড়াই করা কঠিন হওয়ায় মরক্কো সরকার স্প্যানিশ শাসনে থাকা তাদের এলাকাগুলো ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধারের কৌশল নেয়।

দ্বিতীয়ত, স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষ মরক্কোর সঙ্গে তাদের আঞ্চলিক বিরোধগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধান করতে আগ্রহ দেখিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত এই ধীরগতির কৌশলটি ওই দুটি শহরে স্পেনের স্বার্থ রক্ষায় অত্যন্ত লাভজনক প্রমাণিত হয়।

ছিটমহলগুলোর ওপর মরক্কোর দাবি কতটা শক্তিশালী

সমীর বেনিসের মতে, এই অঞ্চলগুলোর ওপর মরক্কোর আইনি দাবি তুলনামূলকভাবে দুর্বল। তবে দেশটি কিছু ঐতিহাসিক, ভৌগোলিক ও মানবিক যুক্তি তুলে ধরতে পারে যা স্পেনের অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের উলফসন কলেজের আইন বিভাগের ডিরেক্টর অব স্টাডিজ জেমি ট্রিনিডাদ জানান, আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে মরক্কোর দাবিটি দুর্বল। তিনি বলেন, এটি একটি আইনি দাবির চেয়ে রাজনৈতিক দাবি বেশি, যা জিব্রাল্টারের ওপর স্পেনের দাবির মতোই অনেকটা প্রযোজ্য।

উল্লেখ্য, জিব্রাল্টার হলো সেউটার বিপরীত প্রণালিতে অবস্থিত একটি ব্রিটিশ ওভারসিজ টেরিটরি।

তিনি আরও বলেন, ১৯৭০-এর দশকে মরক্কো জাতিসংঘকে এই অঞ্চলগুলোকে স্বায়ত্তশাসনহীন ভূখণ্ডের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার অনুরোধ করেছিল। কিন্তু জাতিসংঘের স্পেশাল কমিটি অন ডিকলোনাইজেশন সেই অনুরোধ উপেক্ষা করে।

ছিটমহলের বাসিন্দাদের ইচ্ছে কী

বর্তমানে সিউটাতে প্রায় ৮৪ হাজার এবং মেলিলায় ৮৬ হাজার মানুষ বাস করেন। ১৫৮০ সাল থেকে স্পেনের দখলে থাকা সেউটা খ্রিস্টান ও মুসলিম, স্প্যানিশ ও মরক্কোর বাসিন্দা এবং দৈনিক শ্রমিকদের মিশ্র জনসংখ্যা নিয়ে গঠিত, যারা তুলনামূলকভাবে সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করেন।

তবে সম্প্রতি ৫০ হাজারেরও বেশি অবৈধ অভিবাসীর অনুপ্রবেশের পর এই ছিটমহলে বিভাজন ও উত্তেজনা বেড়েছে। অভিবাসী অনুপ্রবেশের দুদিন পর রবিবার শত শত বাসিন্দা একটি উগ্র-ডানপন্থি অভিবাসীবিরোধী সমাবেশের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করে, যার ফলে উদ্যোক্তারা সমাবেশ বাতিল করতে বাধ্য হন।

ইসোবেল নামে সেউটার এক বাসিন্দা জানান, আমি সেউটার অনেকের মতো অর্ধেক খ্রিস্টান, অর্ধেক মুসলিম। আমরা শান্তিতে একসাথে বাস করি। কিন্তু এবার অভিবাসীদের সংখ্যা সত্যিই ভীতিজনক ছিল।

মেলিলা, যা ১৪৯৭ সাল থেকে স্প্যানিশ দখলে রয়েছে, সেখানেও স্প্যানিশ ও মরক্কোর বাসিন্দাদের পাশাপাশি ছোট এক ইহুদি সম্প্রদায় এবং হিন্দু মার্চেন্টদের একটি সিম্ধি সম্প্রদায় বাস করে, যারা ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের পর সেখানে গিয়েছিলেন। অন্যদিকে, প্লাজাস দে সোবেরানিয়াতে মূলত স্প্যানিশ সামরিক কর্মীরা বাস করেন।

লাখলাউফি উল্লেখ করেন যে, জনমত জরিপে দেখা গেছে সেউটা ও মেলিলার বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ স্পেনের অংশ হিসেবেই থাকতে চান।

তিনি বলেন, জনমতে এটি ধারাবাহিকভাবে প্রতিফলিত হয়েছে এবং সার্বভৌমত্ব পরিবর্তনের পক্ষে সমর্থনকারী কোনও উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক আন্দোলনের অনুপস্থিতি এর প্রমাণ। এমনকি মরক্কো বংশোদ্ভূত বাসিন্দারাও স্প্যানিশ এবং ইউরোপীয় হিসেবে থাকতে চান। কারণ মরক্কো এবং এই শহরগুলোর মধ্যে সামাজিক কল্যাণের পার্থক্য অনেক বেশি।

তিনি আরও বলেন, একই সাথে, উভয় শহরই মরক্কোর সঙ্গে শক্তিশালী ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখে, যা সীমান্তের ওপারে পারস্পরিক সহযোগিতাকে দৈনন্দিন জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক করে তুলেছে।

স্প্যানিশ সরকারের মতে, সেউটা ও মেলিলা শেনজেন অঞ্চলের অংশ, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভ্যন্তরে অবাধ চলাচলের নিশ্চয়তা দেয়, তবে এগুলো বিশেষ শেনজেন ব্যবস্থার অধীন। ছিটমহল এবং স্পেনের মূল ভূখণ্ডের মধ্যে যাতায়াতকারী ব্যক্তিদের আলাদা সীমান্ত পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

স্পেন সরকারের একটি নথি অনুযায়ী, সমুদ্র বা আকাশপথে বের হওয়ার সময় শেনজেন পরীক্ষা চালানো হয়, যা একমাত্র উপলব্ধ রুট। তাই সেউটা বা মেলিলা থেকে পোর্ট বা বিমানবন্দরে জাতীয় পুলিশের কাছে সনাক্তকরণ ছাড়া কেউ স্পেনের মূল ভূখণ্ডে যেতে পারে না। এ ছাড়া ফেরি অপারেটর এবং এয়ারলাইন্সগুলোকে ভ্রমণ নথি যাচাই করতে হয়।

স্পেন কি কখনও এই ছিটমহলগুলোর দাবি ছেড়ে দেবে?

এই প্রশ্নে বিশ্লেষকদের মতামত বিভক্ত। ২০২২ সালের মার্চে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ মরক্কোর রাজাকে চিঠি লিখে পশ্চিম সাহারার ওপর মরক্কোর সার্বভৌমত্বের প্রতি স্প্যানিশ সমর্থনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন, যার নিয়ন্ত্রণ স্পেন ১৯৭৫ সালে ছেড়ে দিয়েছিল। সানচেজ বলেছিলেন যে এটি আফ্রিকান ভূখণ্ডটি নিয়ে কয়েক দশকের বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য সবচেয়ে গম্ভীর, বাস্তবসম্মত এবং বিশ্বাসযোগ্য উদ্যোগ এবং এটি মরক্কোর সঙ্গে স্পেনের টানাপোড়েনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি নতুন পর্যায় সূচনা করে।

এই প্রেক্ষাপটে আইক্সেলা ক্যাব্রে মনে করেন, সিউটাতে সাম্প্রতিক ব্যাপক অভিবাসী অনুপ্রবেশের পর স্পেন শেষ পর্যন্ত মরক্কোর কাছে সার্বভৌমত্ব ছেড়ে দিতে পারে। তিনি বলেন, এমন এক সময়ে যখন সব স্তরে ইউরোপীয় রাজ্যগুলোর বি-ঔপনিবেশিকীকরণকে উৎসাহিত করা হচ্ছে, যেমন ইউরোপীয় দেশগুলো উপনিবেশের সময় চুরি হওয়া জিনিসপত্র ফেরত দিচ্ছে এবং তাদের সাবেক উপনিবেশগুলোর নাগরিকত্ব অধিকার স্বীকার করছে, তখন এই ছিটমহলগুলোর উপস্থিতি একটি দীর্ঘমেয়াদি ঐতিহাসিক অসঙ্গতি।

তবে লাখলাউফি ছিটমহল নিয়ে স্পেনের নীতিতে কোনও মৌলিক পরিবর্তনের আশা করছেন না। তিনি বলেন, যা পরিবর্তন হতে পারে তা হলো স্পেন কীভাবে মরক্কোর সঙ্গে তার সম্পর্ক পরিচালনা করে, বিশেষ করে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, অভিবাসন এবং নিরাপত্তা সহযোগিতার ক্ষেত্রে। তবে কৌশলগত সমন্বয়কে সার্বভৌমত্ব নিয়ে স্পেনের দীর্ঘদিনের অবস্থানের পরিবর্তন বলে ভুল করা উচিত নয়। কারণ সাধারণত মরক্কোই সীমান্তে চাপ সৃষ্টি করে, স্পেন নয়।

সূত্র: আল জাজিরা

/এএ/
সম্পর্কিত
দুবাইয়ে গাড়ির শো-রুমে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, নিহত ১
বিজেপির ৩০ বছরের দুর্গ কীভাবে ভাঙলেন পিকে
মোদির কাছে জাকারবার্গকেই ক্ষমা চাইতে হবে: ভারত
সর্বশেষ খবর
বালুভর্তি বস্তায় বোমা ঢুকলো কীভাবে, জায়গাটি ঘিরে রেখেছে পুলিশ-র‌্যাব
বালুভর্তি বস্তায় বোমা ঢুকলো কীভাবে, জায়গাটি ঘিরে রেখেছে পুলিশ-র‌্যাব
সেই জামায়াত নেতাকে স্বশরীরে তলব 
সেই জামায়াত নেতাকে স্বশরীরে তলব 
বন্যাদুর্গত ৩ উপজেলা সফরে চট্টগ্রামে যাবেন প্রধানমন্ত্রী
বন্যাদুর্গত ৩ উপজেলা সফরে চট্টগ্রামে যাবেন প্রধানমন্ত্রী
একনজরে আজকের আলোচিত খবর
একনজরে আজকের আলোচিত খবর
সর্বাধিক পঠিত
জুলাই কুস্তিগিরদের আগাম অভিনন্দন, মাইর একটাও মাটিতে পড়বে না: মাহফুজ আলম
জুলাই কুস্তিগিরদের আগাম অভিনন্দন, মাইর একটাও মাটিতে পড়বে না: মাহফুজ আলম
দুবাইয়ে ভিজিট ভিসা স্পনসর করতে কত বেতন লাগবে
দুবাইয়ে ভিজিট ভিসা স্পনসর করতে কত বেতন লাগবে
৫ আগস্টের ছুটি কারা পাবেন, কারা পাবেন না
৫ আগস্টের ছুটি কারা পাবেন, কারা পাবেন না
কেন বাড়িঘর ফেলে চলে যাচ্ছেন টেকনাফের মানুষ, জনপ্রতিনিধিরাও আতঙ্কে
কেন বাড়িঘর ফেলে চলে যাচ্ছেন টেকনাফের মানুষ, জনপ্রতিনিধিরাও আতঙ্কে
বিনামূল্যে ১৪ দিনের ট্যুরিস্ট ভিসা চালু করছে ওমান
বিনামূল্যে ১৪ দিনের ট্যুরিস্ট ভিসা চালু করছে ওমান