যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) নিশ্চিত করেছে ফাইজার-বায়োএনটেক উদ্ভাবিত করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনটি ৯৫ শতাংশ কার্যকর। এর মধ্যদিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্যাকসিনটির অনুমোদন পাওয়ার পথ সহজ হলো।এফডিএ প্রকাশিত তথ্যে জানা গেছে, ভ্যাকসিনটির অনুমোদন না দেওয়ার মতো কোনও নিরাপত্তা উদ্বেগ নেই। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এখবর জানিয়েছে।
ফাইজারের ভ্যাকসিনের নিরাপত্তা বিষয়ক তথ্য এই প্রথম কোনও দেশ প্রকাশ করলো। যুক্তরাজ্য ভ্যাকসিনটির অনুমোদন দিয়ে মঙ্গলবার থেকে প্রয়োগ শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার ভ্যাকসিনটির অনুমোদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠকে বসবে এফডিএ।
বিবিসি’র খবরে বলা হয়েছে, এফডিএ এখনও ভ্যাকসিনটির অনুমোদন দেয়নি। কিন্তু তারা ভ্যাকসিনটির ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের তথ্য যে জরুরি ব্যবহারের নির্দেশিকার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ তা নিশ্চিত করেছে।
এফডিএ প্রকাশিত বিস্তারিত তথ্যে দেখা গেছে, ভ্যাকসিনটি করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে ৯৫ শতাংশ কার্যকর। কোম্পানিটির প্রকাশিত প্রতিবেদনেও এমনটিই দাবি করা হয়েছে।
করোনা থেকে পূর্ণাঙ্গ সুরক্ষা পেতে ভ্যাকসিনটির দুটি ডোজ গ্রহণ করতে হবে। করোনায় আক্রান্ত হলে শরীরে যে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠে, ভ্যাকসিন গ্রহণে তেমন সক্ষমতা তৈরি হয়।
এফডিএ প্রকাশিত তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, ভ্যাকসিনটির সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলো ইনজেকশন প্রবেশের স্থানে ব্যথা, লাল হয়ে যাওয়া ও ফুলে উঠা। সঙ্গে স্বল্প সময়ের জন্য ক্লান্তি, মাথা ও পেশিতে ব্যথা রয়েছে। এসব হালকা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া পরীক্ষায় টিকা গ্রহণকারীদের উল্লেখযোগ্য কোনও স্বাস্থ্য পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটেনি।
গবেষণায় অন্তঃস্বত্ত্বা নারী ও ১৬ বছরের কম বয়সীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ফলে বৃহস্পতিবার ভ্যাকসিনটি যুক্তরাষ্ট্রে অনুমোদিত হলেও এই দুই শ্রেণির মানুষেরা তা গ্রহণ করতে পারবেন না।








