সীমান্তে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপে ট্রাম্পকে ট্রুডোর প্রতিশ্রুতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০২ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৮:৪৫আপডেট : ০২ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৮:৪৫

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, কানাডা-যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘ অনিরাপদ সীমান্তে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হবে। রবিবার (১ ডিসেম্বর) এক শীর্ষ কানাডীয় কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

শুক্রবার ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের সঙ্গে নৈশভোজে অংশ নিতে গিয়েছিলেন ট্রুডো। সেখানে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দেন যে, যদি কানাডা অভিবাসী ও মাদক সীমান্ত পাড়ি দেওয়া বন্ধ করতে কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়, তবে কানাডীয় আমদানির ওপর শুল্ক আরোপ করা হবে।

কানাডার মোট রফতানির ৭৫ শতাংশই যুক্তরাষ্ট্রে যায়। শুল্ক আরোপিত হলে কানাডার অর্থনীতিতে এর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

কানাডার জননিরাপত্তা মন্ত্রী ডমিনিক লেব্ল্যাংক ট্রুডো ও ট্রাম্পের সঙ্গে একই টেবিলে ছিলেন। তিনি জানান, দুই নেতা সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে নতুন ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি বলেন, আমরা অতিরিক্ত ড্রোন ও পুলিশ হেলিকপ্টার সংগ্রহ, নতুন কর্মী মোতায়েনের পরিকল্পনা করছি ... আমরা বিশ্বাস করি আমাদের সীমান্ত নিরাপদ।

তিনি আরও বলেন, কানাডীয় ও মার্কিন জনগণকে এটা দেখানো গুরুত্বপূর্ণ যে, আমরা দৃশ্যমান ও শক্তিশালী পদক্ষেপ নিচ্ছি। এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত শিগগিরই জানানো হবে।

লেব্ল্যাংক জানান, কানাডা যুক্তরাষ্ট্রকে বোঝানোর চেষ্টা অব্যাহত রাখবে যে, শুল্ক আরোপ উভয় দেশের অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর হবে, কারণ দুই অর্থনীতি ঘনিষ্ঠভাবে সংযুক্ত।

তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, আমেরিকানরা এটা বুঝবে যে, এভাবে এগোনো তাদের স্বার্থের পক্ষে যাবে না।

শনিবার ট্রাম্প বলেছিলেন, সীমান্ত, বাণিজ্য ও জ্বালানি নিয়ে তিনি ট্রুডোর সঙ্গে ‘খুবই ফলপ্রসূ’ আলোচনা করেছেন।

দুই নেতার এই বৈঠকের উষ্ণ প্রকৃতি অতীতে তাদের সম্পর্কের টানাপড়েনের বিপরীত। ২০২২ সালে ট্রুডোর কোভিড টিকাদানের নীতি নিয়ে ট্রাম্প তাকে ‘চরম বামপন্থি উন্মাদ’ বলেছিলেন। ২০১৮ সালে কুইবেকে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলন থেকে ট্রাম্প বেরিয়ে এসে ট্রুডোকে ‘অতিমাত্রায় অসৎ ও দুর্বল’ বলেও আক্রমণ করেছিলেন।

ডিনারের শেষে ট্রাম্প নিজেই ট্রুডোকে তার গাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দিয়েছিলেন ও বলেছেন, ‘যোগাযোগ রাখো। যেকোনও সময় কল দাও। শিগগির কথা হবে।’

 

/এএ/
সম্পর্কিত
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
উচ্চ ক্ষমতার কার্বন ফাইবারের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু চীনে
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
সর্বশেষ খবর
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী