আইসিই হেফাজত থেকে বাবা-ছেলের মুক্তির নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৩৪আপডেট : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৩৪

মিনেসোটায় অভিবাসন বিরোধী অভিযানের সময় আটক এক শিশু ও তার পিতাকে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন বিরোধী সংস্থা আইসিই হেফাজত থেকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের এক বিচারক। এ সময় তাদের আটক রাখার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন আদালত। কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।

রায়ে বিচারক ফ্রেড বিয়েরি লেখেন, অভিবাসী দেশছাড়া করার দৈনিক লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সরকারের অপরিকল্পিত ও অদক্ষ উদ্যোগ থেকেই এ মামলার সূত্রপাত হয়েছে, এমনকি তাতে শিশুদের মানসিক আঘাত লাগলেও তা উপেক্ষা করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে কোনো অভিবাসীকে দেশছাড়া করতে হলে তা বর্তমান পদ্ধতির বদলে আরও সুশৃঙ্খল ও মানবিক নীতির মাধ্যমে হওয়া উচিত।

বিচারক বিয়েরি ৫ বছর বয়সী লিয়াম কোনেহো রামোসের আটকাদেশকে অবৈধ ঘোষণা করে অভিবাসন কর্তৃপক্ষের আচরণের সমালোচনা করেন। মিনিয়াপোলিসের এক উপশহরে বড় পরিসরের কেন্দ্রীয় অভিযানের সময় শিশুটিকে কর্মকর্তারা নিয়ে যাওয়ার ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক জনরোষের মধ্যে এ আদালতের এই রায় আসলো।

কলাম্বিয়া হাইটস পাবলিক স্কুলসের সুপারিনটেনডেন্ট জেনা স্টেনভিক জানান, বাড়ির সামনে চলন্ত গাড়ি থেকে শিশুটিকে নামিয়ে পরিবারের অন্য সদস্যদের বাড়ি থেকে বের করে আনতে ‘টোপ’ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, শিশুটির নিরাপত্তার স্বার্থে একজন কর্মকর্তা তার সঙ্গে ছিলেন।

কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের দাবি, মিনেসোটায় চলমান এই অভিযানটি রাজ্যের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অভিবাসন বিরোধী অভিযান, যেখানে প্রায় তিন হাজার আইসিই এজেন্ট অংশ নিয়েছেন। এই অভিযান ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, সংঘর্ষ ও দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচির জন্ম দিয়েছে।

প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী, শিশুটির বাবা আদ্রিয়ান কোনেহো আরিয়াস ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ইকুয়েডর থেকে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। তবে পরিবারের আইনজীবীর দাবি, তাদের বৈধ আশ্রয়প্রার্থীর আবেদন রয়েছে, যা দেশটিতে থাকার সুযোগ দেয়। আটক হওয়ার পর দুজনকে টেক্সাসের ডিলি শহরের একটি কেন্দ্রে পাঠানো হয়, যেখানে আইনপ্রণেতারা নিম্নমানের পরিবেশ ও আটক শিশুদের সংখ্যা বৃদ্ধির কথা জানিয়েছেন।

 

/এমবিএম/
সম্পর্কিত
মার্কিন যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, চলছে ইসরায়েলি হামলা
ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নে মার্কিন চাপ মানছে না ওমান
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
সর্বশেষ খবর
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে