মাঠের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স আর মাঠের বাইরের অমায়িক ব্যক্তিত্ব দিয়ে চলতি ফিফা বিশ্বকাপে বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ নতুন ভক্ত বানিয়েছেন নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আরলিং হাল্যান্ড। আর এর বড় প্রভাব পড়েছে লাতিন আমেরিকার দেশ পেরুতে। এই নরওয়েজিয়ান তারকার নামানুসারে নিজেদের নবজাতকদের নাম রাখছেন পেরুর মানুষ।
পেরুর ন্যাশনাল রেজিস্ট্রি অব আইডেন্টিফিকেশন অ্যান্ড সিভিল স্ট্যাটাস-এর তথ্য অনুযায়ী, ৪৬৮ জন পেরুভিয়ানের নামের শেষ অংশ হিসেবে ‘হাল্যান্ড’ রাখা হয়েছে। এ ছাড়া আরও ৯১ জন শিশুর পুরো নাম নথিভুক্ত করা হয়েছে ‘আরলিং হাল্যান্ড’ হিসেবে। নিজের প্রথম বিশ্বকাপ আসরেই ৭টি গোল করে টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা তারকা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন হাল্যান্ড। বিশেষ করে শেষ ষোলোর ম্যাচে ব্রাজিলের বিপক্ষে তার দুটি চমৎকার গোলের ওপর ভর করেই দীর্ঘ ২৮ বছর পর কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছায় নরওয়ে। এরপর থেকেই দেশটিতে এই নামকরণের ধুম পড়ে যায়।
রেভিনিউ অফিসের মুখপাত্র ইভান তোরেস প্যানামেরিকানা টেলিভিশন-এ বলেন, বিভিন্ন ফুটবল তারকারাই পেরুভিয়ানদের তাদের সন্তানদের এসব নাম রাখতে অনুপ্রাণিত করেন।
রসিকতা করে তিনি আরও বলেন, হাল্যান্ডও এখন পেরুভিয়ান!
টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়ার পর নিজের দেশের ফুটবল নিয়ে ভবিষ্যৎ আশা প্রকাশ করেছেন ২৫ বছর বয়সী ম্যানচেস্টার সিটির এই স্ট্রাইকার। তিনি বলেন, আমরা যেভাবে নরওয়েকে ফুটবল মানচিত্রে নতুন করে তুলে ধরেছি, সেটাই আমাকে সবচেয়ে বেশি স্পর্শ করেছে। আশা করি আমাদের এই অসাধারণ প্রজন্মকে দেখে নরওয়ের তরুণ সমাজ অনুপ্রাণিত হবে এবং বুঝতে পারবে যে নরওয়ের জার্সি গায়ে বিশ্বমঞ্চে খেলা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, গত ছয় সপ্তাহের এই রোমাঞ্চকর যাত্রা নরওয়েকে এবং আমাকে বদলে দিয়েছে। আমরা দেখিয়েছি যে ফুটবল বিশ্বের অন্যতম সেরা পরাশক্তি হওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব।
সূত্র: এনডিটিভি

মৃত গরুর নামেও বরাদ্দ সরকারি অনুদান
আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দিতে লাখ লাখ আবেদন করলো কারা






