বঙ্গোপসাগর থেকে উদ্ধারকৃত প্রায় ৪০০ রোহিঙ্গার চিকিৎসা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। বৃহস্পতিবার সংস্থাটির দক্ষিণ এশিয়া পরিচালক বিরাজ পাটনায়েক সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই আহ্বান জানান।
বিরাজ পাটনায়েক বলেন, প্রায় ৪০০ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশের গ্রহণ করাটা স্বস্তিদায়ক। গত দুই মাস ধরে যে কঠিন অবস্থায় সাগরে তারা ছিলেন তা বিবেচনায় অবিলম্বে তাদের চিকিৎসা, খাবার ও থাকার আশ্রয় দরকার। প্রথমে মিয়ানমারের মানবতাবিরোধী অপরাধের শিকার ও পরে মালয়েশিয়া তাদের আশ্রয় দিতে অস্বীকৃতি জানানোর ফলে তাদের যাওয়ার কোনও জায়গা ছিল না।
বিরাজ পাটনায়েক আরও বলেন, রোহিঙ্গাদের আশ্রয় না দেওয়া ও সাগরে ৩২ জনের মৃত্যুর ঘটনায় বিভিন্ন সরকারের কঠোর উদাসীনতার প্রকাশ।
অ্যামনেস্টির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কক্সবাজারের ঘনবসতিপূর্ণ রোহিঙ্গা শিবিরে যখন কোভিড-১৯ এর বিস্তারের আশঙ্কা করা হচ্ছে তখন কর্তৃপক্ষের উচিত উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গাদের ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা ও প্রয়োজনে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা। এমনিতেই রোহিঙ্গাদের দুর্ভোগের শেষ নেই। যথাযথ স্বাস্থ্যসেবা না থাকা ও ঘনবসতিপূর্ণ শিবিরে ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তাদের অবস্থা আরও ভয়াবহ হতে পারে।
উল্লেখ্য, কক্সবাজারে টেকনাফে মালয়েশিয়া ফেরত ৩৯৬ জন রোহিঙ্গাকে উদ্ধারের পর আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সদস্যরা। বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাত ৯ টার দিকে টেকনাফের বাহারছড়ার হলবনিয়া পাড়া ঘাট থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা জানায়, উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ১৮২ জন নারী, ১৫০ জন ও ৬৪ শিশু রয়েছে।







