মিয়ানমারের বিক্ষোভে আবারও পুলিশের গুলি, চারজন নিহত

বিদেশ ডেস্ক
১৩ মার্চ ২০২১, ১৬:৩৯আপডেট : ১৩ মার্চ ২০২১, ১৬:৩৯
image

মিয়ানমারের শনিবারও (১৩ মার্চ) বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালিয়েছে পুলিশ। এদিন নতুন করে আরও চার বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। এর আগে শুক্রবার (১২ মার্চ) রাতভর বিক্ষোভে পুলিশের গুলিতে দুইজন নিহত হয়। ব্রিটিশ বার্তা সস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

গত ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বেসামরিক সরকারকে হটিয়ে সেনাবাহিনী মিয়ানমারের ক্ষমতা দখল করে। নির্বাচিত নেত্রী অং সান সু চি ও এনএলডির অধিকাংশ নেতাকে হয় কারাগারে না হয় বাড়িতে বন্দি করে রেখেছে সেনাবাহিনী। সবমিলিয়ে এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে ২ হাজারের বেশি মানুষকে। জাতিসংঘের হিসেবে গত বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) পর্যন্ত অন্তত ৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার মিয়ানমারজুড়ে আরও বড় পরিসরে বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছে। ১৯৮৮ সালে সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে নিহত শিক্ষার্থী ফোন মাও’র মৃত্যুবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে এ বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়।

এদিন মান্দালয়ে বিক্ষোভকারীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন। তাদেরকে হটাতে ফাঁকা গুলি ছোড়ে পুলিশ। সেসময় তিনজন নিহত হয়। আহত হয় আরও অনেকে। এছাড়া পায়ায় শহরে নিহত হন আরেক বিক্ষোভকারী। এর আগে শুক্রবার রাতে ইয়াঙ্গুনে বিক্ষোভ করার সময় পুলিশের গুলিতে দুইজন বিক্ষোভকারী নিহত হওয়ার কথা জানা গিয়েছিল। নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে আটকদের মুক্তির দাবিতে শুক্রবার রাতে ইয়াঙ্গুনের থারকেতা জেলায় বিক্ষোভ করছিলেন তারা।

এমন একটা সময়ে বড় এই বিক্ষোভের ডাক এলো যখন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপানের নেতারা মিয়ানমারে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে একসঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টের মাধ্যমে বিক্ষোভকারীরা জনতাকে রাস্তায় নামার আহ্বান জানিয়েছেন।

এর আগে, ১৯৮৮ এবং ২০০৭ সালে দেশটির কয়েক দশকব্যাপী সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে অনেক মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল। ১৯৮৮ সালের বিক্ষোভে কমপক্ষে ৩ হাজার বিক্ষোভকারী মারা যান,আর ২০০৭ সালে মারা গিয়েছিলেন ৩০ জন। দুই ঘটনাতেই হাজার হাজার মানুষকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।

/এফইউ/
সম্পর্কিত
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
উচ্চ ক্ষমতার কার্বন ফাইবারের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু চীনে
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
সর্বশেষ খবর
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
নতুন নাম জড়ানোর চেষ্টা বিচার বিলম্বের কৌশল: ডিএমপি কমিশনার
শিশু রামিসা হত্যা মামলানতুন নাম জড়ানোর চেষ্টা বিচার বিলম্বের কৌশল: ডিএমপি কমিশনার
মূল্যস্ফীতির চাপ কমেনি, ব্যাংক খাতের প্রকৃত সংকটও রয়ে গেছে: সিপিডি
মূল্যস্ফীতির চাপ কমেনি, ব্যাংক খাতের প্রকৃত সংকটও রয়ে গেছে: সিপিডি
অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি
অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী