পাকিস্তানে বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশের গুলিতে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট-এনডিএমের দুই কর্মী নিহত হয়েছেন। দলের চেয়ারম্যানসহ আহত হয়েছেন আরও ১৫ জন। শনিবার দেশটির খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের উত্তর ওয়াজিরিস্তানে মমিরামশাহ ক্যান্টনমেন্টে বিক্ষোভ চলার সময় পুলিশ গুলি চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে, এনডিএম। রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন এ খবর জানিয়েছে।
খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের বাজাউর এলাকার ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী-অধ্যুষিত এনএ-৪০ (বাজাউর-১) আসনের ফল প্রকাশে বিলম্বের প্রতিবাদে আঞ্চলিক অফিসের বাইরে বিক্ষোভ করেন এনডিএমের কর্মীরা। তাদের অভিযোগ, ফলাফল কারচুপির জন্যই এই বিলম্ব। ওই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দলের চেয়ারম্যান মহসিন জাভেদ দাওয়ার। তিনি পার্কিস্তান পার্লামেন্টের সাবেক সদস্য।
এনডিএমের প্রাদেশিক চেয়ারম্যান বুশরা গোহর জানিয়েছেন, দলীয় প্রধানের অবস্থা স্থিতিশীল। তাঁকে পেশোয়ারের ব্যক্তিমালিকানাধীন একটি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের জন্য নেওয়া হয়েছে। ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে কাপুরুষোচিত হামলা বলেছেন তিনি। ঘটনার জন্য পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন-ইসিপিকে দায়ী করেছেন গোহর।
এদিকে পুলিশ বলছে, স্টেডিয়াম এলাকার ফটকে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশের ওপর এনডিএমের সমর্থকেরা গুলি চালিয়েছেন। এরপর পুলিশ গুলি চালিয়েছে। এতে এনডিএমের দুই কর্মী নিহত হয়। আহতদের মধ্যে দুজনকে মিরামশাহর স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। পরে তাঁদের বান্নু জেলায় নেওয়া হয়। তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
প্রায় এক মাস আগে খাইবার পাখতুনখাওয়ায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী-অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় জাভেদ দাওয়ারের গাড়িবহরে হামলা হয়। তখনো গুলি চালায় হামলাকারীরা। কিন্তু সেবার প্রাণে বেঁচে যান তিনি ।
এ ঘটনায় দলের কর্মীরা আরও উত্তেজিত হয়ে ওঠে। তবে কর্মীদের শান্ত থেকে বিক্ষোভ চালানোর আহ্বান জানান দাওয়ার। হামলার সঙ্গে জড়িত সবার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে কর্তৃপক্ষের প্রতি আবেদন জানিয়েছেন তিনি।









