স্থলমাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় কম্বোডিয়াকে ক্ষমা চাইতে বলেছে থাইল্যান্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১২ নভেম্বর ২০২৫, ১৩:২৭আপডেট : ১২ নভেম্বর ২০২৫, ১৩:২৭

স্থলমাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় এবার কম্বোডিয়াকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাইতে বলেছে থাইল্যান্ড। কম্বোডিয়া সীমান্ত এলাকায় স্থলমাইন বিস্ফোরণে দুই থাই সেনা আহত হওয়ার পর, এমন দাবি করলো থাইল্যান্ড। এর আগে এই ঘটনার জেরে কম্বোডিয়ার সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় করা শান্তিচুক্তি স্থগিত করে থাইল্যান্ড। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

থাই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নিকর্নদেজ বালানকুরা সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা চাই কম্বোডিয়া পক্ষ ক্ষমা প্রার্থনা করুক। আমরা তাদের অনুরোধ করেছি ঘটনাটির প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করতে, দায়ী পক্ষকে শনাক্ত করতে এবং ভবিষ্যতে যেন এমন ঘটনা আর না ঘটে সে জন্য ব্যবস্থা নিতে।”

এর আগে, সোমবার সীমান্ত টহলের সময় একটি স্থলমাইন বিস্ফোরিত হয়ে দুই থাই সেনা মারাত্মকভাবে আহত হয়। থাইল্যান্ডের অভিযোগ, এটি কম্বোডিয়ার সম্প্রতি পোঁতা নতুন মাইনগুলোর একটি। এই ঘটনায় দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা নতুন করে বৃদ্ধি পেয়েছে।

তবে কম্বোডিয়া অভিযোগটি অস্বীকার করেছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তারা কোনও নতুন মাইন পোঁতেনি এবং ব্যাংককের সঙ্গে করা অস্ত্রবিরতি চুক্তির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছে।

গত জুলাইয়ে দুই দেশের মধ্যে পাঁচ দিনের সংঘর্ষে অন্তত ৪৮ জন নিহত এবং প্রায় ৩ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়। সেই সংঘর্ষে রকেট হামলা, ভারী গোলাবর্ষণ ও বিমান হামলা পর্যন্ত হয়েছিল। পরবর্তীতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার নেতাদের টেলিফোনে কথা হয়, যার পর মালয়েশিয়ায় এক উন্নত অস্ত্রবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

থাই সামরিক বাহিনীর তথ্যমতে, জুলাইয়ের পর থেকে সীমান্ত এলাকায় স্থলমাইন বিস্ফোরণে অন্তত সাতজন থাই সেনা গুরুতর আহত হয়েছে। রয়টার্সের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এসব মাইনের কিছু সম্ভবত সম্প্রতি পোঁতা হয়েছিল।

প্রায় এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সীমান্ত বিরোধ চলছে। ৮১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ স্থলসীমান্তটি প্রথম মানচিত্রে আঁকা হয়েছিল ১৯০৭ সালে, যখন ফ্রান্স কম্বোডিয়াকে তার উপনিবেশ হিসেবে শাসন করত।

/এস/
সম্পর্কিত
মার্কিন যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, চলছে ইসরায়েলি হামলা
ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নে মার্কিন চাপ মানছে না ওমান
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
সর্বশেষ খবর
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে