আফগানিস্তানে ভূমিকম্পে একই পরিবারের ৮ জন নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২০:০৮আপডেট : ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২০:০৮

আফগানিস্তানে শক্তিশালী এক ভূমিকম্পে ঘরবাড়ি ধসে একই পরিবারের আটজন সদস্য নিহত হয়েছেন। শুক্রবার রাতে কাবুল প্রদেশের গোসফান্দ দারা এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শরাফত জামান শনিবার জানিয়েছেন, পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কেবল দুই বছর বয়সী একটি শিশু অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছে। আফগানিস্তানের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, শিশুটি আহত অবস্থায় উদ্ধার পেয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে ৫.৮ মাত্রার এই ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত ৮টা ৪২ মিনিটে আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বাদাখশান প্রদেশে এবং গভীরতা ছিল ১৮৬ কিলোমিটার (১১৫ মাইল)। উৎপত্তিস্থল থেকে রাজধানী কাবুল প্রায় ২৯০ কিলোমিটার (১৮০ মাইল) দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।

উৎপত্তিস্থলের কাছাকাছি এলাকাগুলোতে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। দুর্গম এলাকা হওয়ায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ থেকে তথ্য কাবুলে পৌঁছাতে সাধারণত কয়েক ঘণ্টা সময় লাগে। রয়টার্সকে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, কাবুলসহ আফগানিস্তানের বিভিন্ন অংশে এবং ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতেও শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়েছে। এ ছাড়া পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ, পেশোয়ার, চিত্রাল, সোয়াত ও শাংলা অঞ্চলেও ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে।

আফগানিস্তান ভৌগোলিকভাবে ইউরেশীয় এবং ভারতীয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত হিন্দুুকুশ পর্বতমালা সংলগ্ন হওয়ায় প্রায়ই ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশটিতে প্রতি বছর গড়ে ৫৬০ জন মানুষ ভূমিকম্পে প্রাণ হারান।

দেশটির সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্পটি আঘাত হেনেছিল গত বছরের আগস্টে। মাত্র ৬ মাত্রার ওই অগভীর ভূমিকম্পে পাহাড়ি গ্রামগুলো মাটির সঙ্গে মিশে গিয়েছিল এবং অন্তত ২ হাজার ২০০ মানুষ নিহত হয়েছিলেন। যার অধিকাংশ হতাহতের ঘটনা ঘটেছিল কুনার প্রদেশে।

/এএ/
সম্পর্কিত
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
উচ্চ ক্ষমতার কার্বন ফাইবারের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু চীনে
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
সর্বশেষ খবর
‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কী, কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার 
‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কী, কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার 
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী