‘১১৮ জনের সই নিয়ে আসুন’, বিজয়কে ফের ফিরিয়ে দিলেন রাজ্যপাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৭ মে ২০২৬, ১৬:৫০আপডেট : ০৭ মে ২০২৬, ১৬:৫০

তামিলনাড়ুতে সরকার গঠনের দাবি নিয়ে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো রাজভবনে গিয়েও খালি হাতে ফিরতে হয়েছে টিভিকে প্রধান ও অভিনেতা থালাপতি বিজয়কে। রাজ্যপাল রাজেন্দ্র আরলেকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, পর্যাপ্ত বিধায়কের সমর্থন না থাকায় এখনই শপথ গ্রহণ সম্ভব নয়। অন্তত ১১৮ জন বিধায়কের সইসহ সমর্থনের প্রমাণ দিলেই কেবল তাকে সরকার গঠনের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হবে।

বৃহস্পতিবার বিজয়ের সঙ্গে আলাপকালে রাজ্যপাল বলেন, দয়া করে ১১৮ জনের সই নিয়ে আসুন। প্রমাণ করুন যে টিভিকে’র সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে, তারপরই শপথ হতে পারে।

সরকার গঠনের পর যাতে স্থিতিশীলতা বজায় থাকে এবং দ্রুত ভেঙে না পড়ে, তা নিশ্চিত করতেই রাজ্যপাল লিখিত সমর্থনের ওপর জোর দিয়েছেন বলে রাজভবন সূত্রে জানা গেছে।

বিজয়কে এখনই আমন্ত্রণ না জানালেও রাজ্যপাল তাকে আশ্বস্ত করেছেন যে, তিনি অন্য কোনও দলকেও সরকার গঠনের জন্য ডাকবেন না। বর্তমান বিধানসভার মেয়াদ ৯ মে শেষ হতে চলায় রাজ্যপালের হাতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য এখনও কয়েক দিন সময় আছে।

উল্লেখ্য, এআইএডিএমকে নেতা এডাপ্পাদি কে পালানিস্বামী (ইপিএস) এখন পর্যন্ত রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও সময় চাননি।

এর আগে বুধবার ১১২ জন বিধায়কের সমর্থন নিয়ে রাজভবনে গিয়েছিলেন বিজয়। কংগ্রেসের ৫ জন বিধায়কের সমর্থনের কথা তিনি মৌখিকভাবে জানালেও রাজ্যপাল তা অপর্যাপ্ত বলে খারিজ করে দেন। নির্বাচনে দুটি আসনে জয়ী হওয়া বিজয় একটি আসন ছেড়ে দিলে তার দলের কার্যকর শক্তি দাঁড়াবে ১০৭। কংগ্রেসের ৫ জনসহ এই জোটের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১১২, যা সংখ্যাগরিষ্ঠতা বা সরকার গঠনে প্রয়োজনীয় আসনের চেয়ে ৫টি কম।

বিজয়কে সরকার গঠনের সুযোগ না দেওয়ায় বিজেপি ও কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছেন ভিসিকে প্রধান থল থিরুমাভালাভান। তিনি বলেন, বিজেপি, অমিত শাহ ও মোদি তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। সংবিধান অনুযায়ী একক বৃহত্তম দলের নেতা হিসেবে বিজয়কে শপথ নেওয়ার সুযোগ দিয়ে পরে বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের সময় দেওয়া উচিত।

একই সুর শোনা গেছে সিপিআই-এর কণ্ঠেও। দলটির তামিলনাড়ু শাখা জানিয়েছে, শপথের আগে বিজয়কে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে বলা ‘অসংগত’ এবং রাজ্যপালের উচিত সংবিধান অনুযায়ী কাজ করা।

কী বলছে সংবিধান?

ভারতের সংবিধানের ১৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাজ্যপাল মুখ্যমন্ত্রী নিয়োগের ক্ষমতা রাখেন। ঝুলন্ত বিধানসভার ক্ষেত্রে কাকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে, সে বিষয়ে রাজ্যপালের ক্ষমতা রয়েছে। ঐতিহাসিকভাবে অনেক রাজ্যেই একক বৃহত্তম দলের নেতাকে সংখ্যালঘু সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানানোর নজির রয়েছে।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

/এএ/
সম্পর্কিত
ঠোঁট সেলাই করে ইরানের বৃহত্তম কারাগারে বন্দিদের গণঅনশন
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
গ্রাহকের লকার থেকে ২০৭ তোলা স্বর্ণ চুরির অভিযোগে গ্রেফতার বাবা ও দুই ছেলে
সর্বশেষ খবর
ফেসবুকে ইলিশ বিক্রির নামে প্রতারণা, অবশেষে ধরা পড়লো প্রতারক
ফেসবুকে ইলিশ বিক্রির নামে প্রতারণা, অবশেষে ধরা পড়লো প্রতারক
জানা গেলো রাজধানীতে বাস-সিএনজি অর্ধেকে নামার রহস্য
জানা গেলো রাজধানীতে বাস-সিএনজি অর্ধেকে নামার রহস্য
ঠোঁট সেলাই করে ইরানের বৃহত্তম কারাগারে বন্দিদের গণঅনশন
ঠোঁট সেলাই করে ইরানের বৃহত্তম কারাগারে বন্দিদের গণঅনশন
খেলায় ফিরছে শিশুরা, নতুন কুঁড়িতে আশার আলো
খেলায় ফিরছে শিশুরা, নতুন কুঁড়িতে আশার আলো
সর্বাধিক পঠিত
মেসির ৩ ছেলে, কে কোন পায়ে ও কোন পজিশনে খেলে
মেসির ৩ ছেলে, কে কোন পায়ে ও কোন পজিশনে খেলে
মেসির ৩ ছেলের মধ্যে কে সবচেয়ে ভালো ফুটবলার হতে পারে?
মেসির ৩ ছেলের মধ্যে কে সবচেয়ে ভালো ফুটবলার হতে পারে?
ইরানের ‘মশা নৌবহরের’ প্রশংসায় পুতিন, বললেন যুদ্ধে বেশ কার্যকর
ইরানের ‘মশা নৌবহরের’ প্রশংসায় পুতিন, বললেন যুদ্ধে বেশ কার্যকর
যুবদলের কমিটি দেওয়ার পরদিনই ১৬ নেতার পদত্যাগ
যুবদলের কমিটি দেওয়ার পরদিনই ১৬ নেতার পদত্যাগ
৩২ ডিসিকে অবসরে পাঠানোর কারণ কী, জানালেন তথ্য উপদেষ্টা
৩২ ডিসিকে অবসরে পাঠানোর কারণ কী, জানালেন তথ্য উপদেষ্টা