বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চলমান চীন সফর দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের সাবেক রাষ্ট্রদূত লি চিমিং । তিনি বলেছেন, ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক বর্তমানে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে।
সোমবার চীনের ইয়ুননান প্রদেশে অবস্থিত ইয়ুননান বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া তরুণ নেতাদের এক বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
দীর্ঘ সময় বাংলাদেশে দায়িত্ব পালন করা সাবেক এই রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এ সফরকে ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘এই সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায় রচিত হবে এবং উভয় দেশ একটি ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে যাচ্ছে।’
বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালীন নিজের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে লি চিমিং আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, ‘আমি বাংলাদেশের জনগণের সাহস ও অধ্যবসায়ের সাক্ষী হওয়ার সুযোগ পেয়েছিলাম। আমার মেয়াদকালেই বাংলাদেশের অর্থনীতি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করে, যা নিজ চোখে দেখার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। সে কারণেই নিজেকে আমি বাংলাদেশের একজন প্রকৃত বন্ধু মনে করি এবং চীনের বিভিন্ন সভা ও জনপরিসরে সবসময় বাংলাদেশের প্রশংসা করি।’
বক্তব্য শেষে চীনের প্রতিষ্ঠাতা মাও সেতুংয়ের একটি বিখ্যাত উক্তি তুলে ধরে তিনি বাংলাদেশের তরুণ প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বলেন, পৃথিবীর ভবিষ্যৎ শেষ পর্যন্ত তরুণদের কাঁধেই ন্যস্ত। বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং দুই দেশের বন্ধুত্বের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎও এই তরুণদের ওপরই নির্ভর করছে।
সেন্টার ফর চায়না স্টাডিজ (সিসিএস) এবং শাংহাই ইনস্টিটিউটস ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (এসআইএস)-এর আমন্ত্রণে গত ২১ জুন থেকে ১০ দিনের সফরে বাংলাদেশে ২২ সদস্যের একটি তরুণ প্রতিনিধিদল বর্তমানে চীনে অবস্থান করছে।
সূত্র: সিএমজি








