যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ গোয়েন্দা সংস্থায় বড় ধরনের গণছাঁটাই শুরু করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। সোমবার (২২ জুন) থেকে এই ছাঁটাই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের অফিস অব দ্য ডাইরেক্টর অব ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স-এর শত শত কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুতির নোটিশ দেওয়া হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিজের পছন্দে নিয়োগ পাওয়া ভারপ্রাপ্ত পরিচালক বিল পুল্টে এই ছাঁটাই প্রক্রিয়া চালাচ্ছেন। গোয়েন্দা সংস্থায় কাজের কোনও পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকায় কংগ্রেসে বিল পুল্টের নিয়োগ নিয়ে আগে থেকেই ব্যাপক বিতর্ক রয়েছে।
ছাঁটাইয়ের ঘটনাটি প্রথম প্রকাশ করা একটি সূত্র সিএনএন–কে জানিয়েছে, ডিপ স্টেট কর্মকর্তাদের ছাঁটাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে।
তবে ঠিক কতসংখ্যক কর্মীকে চাকরি থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে, সেই সুনির্দিষ্ট সংখ্যাটি এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
সিএনএন আরও জানিয়েছে, গত সপ্তাহে নিজের নতুন কর্মস্থলে নির্ধারিত সময়ের একদিন আগেই হাজির হন বিল পুল্টে। সেখানে গিয়েই তিনি অফিসের প্রত্যেক কর্মচারীর একটি তালিকা চান, যা বিদায়ী পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ডকেও আকস্মিকভাবে অপ্রস্তুত করে ফেলেছিল।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো সিএনএন–কে জানিয়েছে, এই গণছাঁটাইয়ের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে যাচ্ছে ওডিএনআই–এর দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ। এগুলো হলো, ন্যাশনাল কাউন্টারটেররিজম সেন্টার এবং ন্যাশনাল কাউন্টারইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড সিকিউরিটি সেন্টার।
সিনেট ও হাউস ইন্টেলিজেন্স কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট নেতাদের আপত্তি ও সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেই এই ছাঁটাই কার্যকর করা হচ্ছে। সোমবারই ডেমোক্র্যাট নেতারা বিল পুল্টেকে একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন। সিএনএন–এর তথ্য অনুযায়ী, ওই চিঠিতে বড় ধরনের কর্মী ছাঁটাইয়ের ফলে যে ঝুঁকি তৈরি হবে, সে বিষয়ে পুল্টেকে সতর্ক করা হয়েছিল।
এই গণছাঁটাইয়ের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে ট্রাম্পের একটি সাম্প্রতিক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের দিকে ইঙ্গিত করা হয়। ওই পোস্টে ট্রাম্প লিখেছিলেন, তিনি বিল পুল্টেকে এই দফতরের তাৎক্ষণিক ও প্রয়োজনীয় কর্মী সংকোচন সম্পন্ন করতে এবং কর্মীদের তাদের মূল বা নিজস্ব সংস্থায় ফেরত পাঠাতে বলেছেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি








