যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার আসন্ন যৌথ সামরিক মহড়ার আগেই চলতি সপ্তাহে দ্বিতীয়বারের মতো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া। প্রতিবেশী দক্ষিণ কোরিয়ার দাবি, ওয়াশিংটন ও সিউলের যৌথ সামরিক অনুশীলনকে আগ্রাসনের প্রস্তুতি হিসেবে দেখে উত্তর কোরিয়া। আর তারই প্রতিবাদে এই মহড়া চালানো হয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৬টার দিকে উত্তর কোরিয়ার পূর্ব উপকূলীয় ওনসান এলাকা থেকে উৎক্ষেপণ করা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটি ৭০০ কিলোমিটারেরও বেশি পথ অতিক্রম করেছে। জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও এই ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে, অস্ত্রটি কোরীয় উপদ্বীপ ও জাপানের মধ্যবর্তী তাদের একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলের বাইরে সমুদ্রে গিয়ে পড়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে বহু বছর ধরে আলোচনায় ফিরতে অস্বীকৃতি জানানো উত্তর কোরিয়া ধারাবাহিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়ে আসছে, যা এই সাম্প্রতিক উৎক্ষেপণের মাধ্যমে আরও স্পষ্ট হলো।
বিশেষজ্ঞদের মতে, উত্তর কোরিয়া প্রায়শই প্রতিপক্ষ দেশগুলোর সামরিক অনুশীলনকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে নিজেদের অস্ত্র পরীক্ষার তৎপরতা বাড়িয়ে থাকে।
দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ সহযোগিতার মাধ্যমে পিয়ংইয়ংয়ের যেকোনো উসকানি প্রতিহত করতে তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ উত্তর কোরিয়ার এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপকে উসকানিমূলক কাজ হিসেবে অভিহিত করে তাৎক্ষণিকভাবে তা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে।
উত্তর কোরিয়ার হুমকি মোকাবিলায় নিজেদের সার্বিক প্রস্তুতি বাড়াতে ১৭ আগস্ট থেকে বার্ষিক বৃহৎ মাত্রার সামরিক মহড়া শুরু করার কথা ঘোষণা করেছে সিউল ও ওয়াশিংটন। এই যৌথ মহড়ার ঘোষণা দেওয়ার মাত্র দুই দিনের মাথায় পিয়ংইয়ং তাদের সর্বশেষ এই ক্ষেপণাস্ত্রটি নিক্ষেপ করলো।
সূত্র: এপি

কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত ২৫০ ছাড়ালো, জীবিতদের উদ্ধারে অভিযান
প্রথম আন্তর্জাতিক রুটে উড়তে যাচ্ছে চীনের তৈরি উড়োজাহাজ





