ভারতের মহারাষ্ট্রের কোলহাপুর জেলায় প্রেমিকা সম্পর্কের ইতি টানতে চাওয়ায় তাকে গভীর খাদে ফেলে দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। নিহত তরুণীর বিয়ে ঠিক হওয়ায় তিনি সম্পর্কের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে অস্বীকৃতি জানানোর পরই এ ঘটনা ঘটে। শনিবার পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত যুবক পরে নিজেই ভূদরগড় থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন।
পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত ২৫ বছর বয়সী যুবকের নাম শ্রীপাদ দিনকর ওয়াদু এবং নিহত ২৩ বছর বয়সী তরুণীর নাম তারান্নুম বশির নায়েক। তারা কোলহাপুরের গারগোটির অবধূত কলোনির বাসিন্দা এবং দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন। তারান্নুম মহাগাঁওয়ের একটি কলেজে প্রকৌশল বিষয়ে পড়াশোনা করছিলেন।
শুক্রবার সকালে নায়েকওয়াড়ির কাছের এক গভীর গিরিখাদের পাশে এ ঘটনা ঘটে। সম্প্রতি তারান্নুমের বিয়ে ঠিক হওয়ায় তিনি শ্রীপাদকে জানান তাদের সম্পর্কের ইতি টানতে হবে। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে তাদের মধ্যে চরম বিবাদ সৃষ্টি হয়।
শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে শ্রীপাদ তরুণীকে ডেকে নায়েকওয়াড়ির গিরিখাদ এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে কথা বলার সময় তারান্নুম জানান, পরিবার তার বিয়ে ঠিক করেছে এবং তারা আর সম্পর্ক চালিয়ে যেতে পারবেন না। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে শ্রীপাদ তাকে খাদে ধাক্কা মেরে ফেলে দেন, যার ফলে খাদে পড়ে তরুণীর মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর অপরাধ ঢাকতে শ্রীপাদ প্রথমে দাবি করেন তারান্নুম নিখোঁজ রয়েছেন। তবে পরে তিনি ভূদরগড় থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। পুলিশের বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি তরুণীকে খাদে ফেলে হত্যা করার কথা স্বীকার করেন।
খবর পেয়ে তারান্নুমের স্বজনেরা গারগোটি জেলা হাসপাতালে জড়ো হলে সেখানে চরম উত্তেজনা ও শোকাচ্ছন্ন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। ভূদরগড় থানা পুলিশ মামলাটি নিয়ে আরও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
রিয়াদ বিমানবন্দরে হুথি হামলায় নিহত ১২ জনের জাতীয়তা প্রকাশ