খাশোগির দেহাবশেষ রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে: তুর্কি টিভি (ভিডিও)

বিদেশ ডেস্ক
৩১ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৩:৩৬আপডেট : ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৩:৩৯
video

তুরস্কের একটি টেলিভিশন চ্যানেল সংশ্লিষ্ট ভিডিও প্রকাশ করে দাবি করেছে, সাংবাদিক জামাল খাশোগির দেহাবশেষ সুটকেস ও ব্যাগে ভরে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা মিডিল ইস্ট মনিটর উল্লেখ করেছে, প্রকাশিত ভিডিওতে তিন ব্যক্তিকে সুটকেস ও ব্যাগ বহন করে বাসভবনের ভেতরে ঢুকতে দেখা গেছে। অন্যদিকে তুর্কি সংবাদপত্র হুররিয়াত ডেইলির ভাষ্য, দেহাবশেষ বাগানে দেওয়ালের নিচে পোঁতা রয়েছে।

গত ২ অক্টোবর দুপুরে তুরস্কের ইস্তানবুল শহরে অবস্থিত সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশ করেন খাশোগি। এরপর থেকে আর তাকে দেখা যায়নি। তুরস্কের তদন্তকারীরা বলছেন, সৌদি আরবের ১৫ জন এজেন্ট কনস্যুলেটের ভেতরেই খাশোগিকে হত্যা করেছে । তুর্কি আরব মিডিয়া এসোসিয়েশনের প্রধান তুরান কিসলাকসি একটি সূত্রের বরাত দিয়ে দাবি করেছেন, খাশোগিকে হত্যা করে তার লাশ টুকরো টুকরো করে ফেলা হয়েছে। সৌদি আরব এই অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করে আসছে, কনস্যুলেটে প্রবেশের কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি বের হয়ে গেছেন। পরে তারা দাবি করে, এজেন্টদের সঙ্গে ‘হাতাহাতিতে’ খাশোগির মৃত্যু হয়েছে। তার স্বজনরা মরদেহ ফেরত চাইলে সৌদি আরব তা দিতে ব্যর্থ হয়।

তুরস্কের ইস্তানবুলে সৌদি আরবের কনস্যুলেট অফিসের কাছেই কনসাল জেনারেলের বাসভবন। নিরাপত্তা ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিওচিত্র প্রকাশ করে তুর্কি টেলিভিশন চ্যানেল ‘এ হাবের’ রবিবার (৩০ ডিসেম্বর) দাবি করেছে, কনসাল জেনারেলের বাসভবনে যে তিন ব্যক্তিকে পাঁচটি সুটকেস ও তিনটি ব্যাগ নিয়ে ঢুকতে দেখা গেছে তারা সাংবাদিক জামাল খাশোগির দেহাবশেষ বহন করেছে। সুটকেস ও ব্যাগগুলো প্রথমে সৌদি আরবের কনস্যুলেট ভবনের গ্যারেজ থেকে একটি মিনিবাসে তোলা হয়। তারপর অল্প দূরেই অবস্থিত কনসাল জেনারেলের বাসভবনে নিয়ে রাখা হয়।

এদিকে তুর্কি সংবাদপত্র হুররিয়াত ডেইলি সোমবার (৩১ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, সাংবাদিক জামাল খাশোগির দেহাবশেষ সৌদি আরবের কনসাল জেনারেলের বাসভবনের বাগানে থাকা একটি দেওয়ালের নিচে পুঁতে ফেলা হয়েছে বলে সন্দেহ করেছেন তুর্কি তদন্তকারীরা। অবশ্য গত অক্টোবরে যখন তারা বাসভবনটি তল্লাশি করেছিলেন, তখন সেখান থেকে কোনও কিছু পাওয়া যায়নি।

/এএমএ/
সম্পর্কিত
বিশ্ব অর্থনীতির সামনে দুই কঠিন পথ, নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ ও এআই সংকট
৫৩০০ বছর পরও মমিতে জীবিত অণুজীব
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
সর্বশেষ খবর
পাবনায় কিশোরীকে হত্যা: কথিত প্রেমিকসহ ৩ জন গ্রেফতার
পাবনায় কিশোরীকে হত্যা: কথিত প্রেমিকসহ ৩ জন গ্রেফতার
গৌরীই কি তবে আমির খানের জীবনের বনলতা সেন?
গৌরীই কি তবে আমির খানের জীবনের বনলতা সেন?
নতুন যুদ্ধবিরতিতে সম্মত ইসরায়েল-লেবানন: হিজবুল্লাহমুক্ত জোন গঠনের সিদ্ধান্ত
নতুন যুদ্ধবিরতিতে সম্মত ইসরায়েল-লেবানন: হিজবুল্লাহমুক্ত জোন গঠনের সিদ্ধান্ত
বিশ্ব অর্থনীতির সামনে দুই কঠিন পথ, নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ ও এআই সংকট
বিশ্ব অর্থনীতির সামনে দুই কঠিন পথ, নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ ও এআই সংকট
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম