রুশ হামলা প্রতিহত করলেও পরিস্থিতি কঠিন: ইউক্রেনীয় সেনাপ্রধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০১ মার্চ ২০২৪, ২০:৫৯আপডেট : ০১ মার্চ ২০২৪, ২০:৫৯

ইউক্রেনের সেনাপ্রধান ওলেক্সান্ডার সিরস্কি বলেছেন, আভদিভকার পশ্চিমে ওরলিভকা গ্রামে রুশ সেনাদের হামলা প্রতিহত করেছে ইউক্রেনীয় সেনারা। কিন্তু পূর্বাঞ্চলীয় রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি এখনও কঠিন। বৃহস্পতিবার (১ মার্চ) তিনি এই মন্তব্য করেছেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

লাস্তোচকাইন গ্রাম থেকে উত্তর-পশ্চিমে দুই কিলোমিটারের কম দূরত্বে অবস্থিত ওরলিভকা গ্রাম। চলতি সপ্তাহে রুশ সেনারা লাস্তোচকাইন দখল করেছে। এর আগে কয়েক মাস হামলার পর পূর্বাঞ্চলীয় শহর আভদিভকা দখল করে রাশিয়া।

চলতি সপ্তাহে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী বলেছে, আভদিভকার কাছে মোট তিনটি গ্রাম থেকে সেনাদের পিছু হটতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমা সহযোগিতা কমে আসায় ভূখণ্ড হারাচ্ছে তারা।

টেলিগ্রামে সিরস্কি বলেছেন, রণক্ষেত্রের বিভিন্ন এলাকায় শত্রুরা সক্রিয় আক্রমণ চালাচ্ছে। জাপোরিজ্জিয়া ও আভদিভকা সেক্টরে পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ। 

তিনি বলেছেন, রুশ সেনারা ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষা ভেঙে টনেঙ্কে, ওরলিভকা, সেমেনিভকা, বারডাইচি ও ক্রাসনোহোরিভকা গ্রাম দখলের চেষ্টা করছে।

সম্প্রতি পূর্বাঞ্চলীয় রণক্ষেত্র পরিদর্শন করা ইউক্রেনীয় সেনাপ্রধান বলেছেন, কমান্ডাররা তাকে বিভিন্ন ঘাটতির কথা তুলে ধরেছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত গোলাবারুদ ও সরঞ্জাম বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের দৈনন্দিন আপডেটে বলেছে, আভদিভকা সেক্টরে তাদের সেনারা সুবিধাজনক অবস্থান নিয়েছে। ওরলিভকা ও আশেপাশের গ্রামে ইউক্রেনীয় ইউনিট ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে।

ইউক্রেনীয় এক কমান্ডার বলেছেন, আভদিভকা হাতছাড়া হওয়ার পর লড়াইয়ে বড় ধরনের পার্থক্য এসেছে। রুশরা এখন বিমান হামলা কম করছে। কিন্তু কামান ও ড্রোন ব্যবহার করছে বেশি। সঙ্গে রয়েছে পদাতিক বাহিনী।

ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী এবং প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, পশ্চিমা সহযোগিতার ঘাটতির কারণে সেনাদের রুশ আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম এবং গোলাবারুদের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

 

/এএ/
সম্পর্কিত
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু কি এখন দুই পথের পথিক?
নিউ জিল্যান্ডের চার এমপির ওপর চীনের নিষেধাজ্ঞা
সর্বশেষ খবর
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
ছোট ছেলে শ্বশুরবাড়ি, বড় ছেলের ঘরের মেঝে খুঁড়ে মায়ের লাশ উদ্ধার
ছোট ছেলে শ্বশুরবাড়ি, বড় ছেলের ঘরের মেঝে খুঁড়ে মায়ের লাশ উদ্ধার
‘শাহজালালে হাজিদের লাগেজ কেটে চুরির অভিযোগ সঠিক নয়’
‘শাহজালালে হাজিদের লাগেজ কেটে চুরির অভিযোগ সঠিক নয়’
৩০০ ফিটে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় চীনা নাগরিকের মৃত্যু
৩০০ ফিটে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় চীনা নাগরিকের মৃত্যু
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের