রাশিয়ার আগ্রাসন মোকাবিলায় ইউরোপে ন্যাটোর দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন একজন শীর্ষ মার্কিন জেনারেল। ইউক্রেন যুদ্ধের অভিজ্ঞতা এই অস্ত্রের প্রয়োজনীয়তা আরও স্পষ্ট করেছে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
মার্কিন সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল জন র্যাফার্টি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, রাশিয়ার বর্তমান সামরিক বাহিনী ইউক্রেন যুদ্ধ-পূর্ব সময়ের তুলনায় বহুগুণ শক্তিশালী ও সুসজ্জিত। প্রতিরোধ গড়ে তুলতে ন্যাটোর হাতে অধিক সংখ্যক ও আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকা এখন সময়ের দাবি।
তার মতে, আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র শত্রুপক্ষের সরবরাহ ও রণকৌশল ভেঙে দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ইউক্রেনের যুদ্ধই এর জ্বলন্ত উদাহরণ।
রাশিয়া যখন নিজ দেশে ব্যাপকহারে এসব অস্ত্রের উৎপাদন বাড়াচ্ছে, তখন ইউরোপের নিরাপত্তার জন্য দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র অপরিহার্য হয়ে উঠছে। তবে এখনও এই সক্ষমতার বড় একটি অংশের যোগান দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
ন্যাটো জোটের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা প্রসঙ্গে র্যাফার্টি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখনও ইউরোপে ন্যাটোর ক্ষেপণাস্ত্র শক্তির মূল জোগানদাতা। ইউরোপের দেশগুলোকে অবশ্যই তাদের প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়াতে হবে।
এই পরিস্থিতিতে ইউরোপে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের পরিকল্পনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির মধ্যে আলোচনাও চলছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে রাশিয়া ইতোমধ্যে প্রকাশ্য আপত্তি জানিয়েছে।
তবে ইউরোপীয় দেশগুলোও নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় রাষ্ট্র প্রতিরক্ষা ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়েছে।








