জার্মানির স্থানীয় নির্বাচনে নিজের দল ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন (সিডিইউ)-এর ফলকে ‘বিপর্যয়’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস। তবে নির্বাচনী ধাক্কার পরও পদে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।
রবিবার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় মেকলেনবুর্গ-ভোরপোমার্ন রাজ্যে সিডিইউ ৫ শতাংশের ভোটসীমা পার করতে পারেনি। এর ফলে রাজ্য পার্লামেন্টে দলটির প্রবেশের সম্ভাবনা নেই। অন্যদিকে সেখানে সবচেয়ে বেশি ভোট পাওয়ার পথে রয়েছে ডানপন্থি পপুলিস্ট দল অলটারনেটিভ ফর জার্মানি (এএফডি)। তবে অন্য দলগুলো তাদের সঙ্গে কাজ করতে রাজি না হওয়ায় সরকার গঠনের সম্ভাবনা কম।
রাজধানী বার্লিনেও ক্ষমতাসীন সিডিইউ বামপন্থি দল ডি লিংকের কাছে পিছিয়ে পড়ার পথে রয়েছে। জেডডিএফ ও এআরডির পূর্বাভাস অনুযায়ী, মেকলেনবুর্গ-ভোরপোমার্নে এএফডি প্রায় ৩৮ শতাংশ এবং মধ্য-বামপন্থি এসপিডি ৩৫ শতাংশ ভোট পেতে পারে। সেখানে সিডিইউর ফল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কোনও রাজ্যে দলটির সবচেয়ে খারাপ ফল হতে পারে।
বার্লিনে ডি লিংক প্রায় ২৬ শতাংশ ভোট পেতে পারে, যেখানে সিডিইউর ভোট ১৯ শতাংশের কাছাকাছি হতে পারে। এএফডিও সেখানে ভোট বাড়িয়ে প্রায় ১৬ শতাংশ পেতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনী ফলের পর সিডিইউর বার্লিন সদর দপ্তরে মের্ৎস বলেন, জোট সরকারের অর্থনীতি, কর ও কল্যাণব্যবস্থা সংস্কারের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি বলেন, এসব সংস্কারের দায়িত্ব তিনি নেবেন এবং দলের চেয়ারম্যান ও দেশের চ্যান্সেলর হিসেবে নিজের দায়িত্ব পালন করে যাবেন।
মের্ৎসের সমর্থকরা বলছেন, দেশের অনেক সমস্যাই আগের সরকারের কাছ থেকে পাওয়া। তবে অভিবাসন ইস্যুতে তার ডানদিকে ঝুঁকে থাকা অবস্থান এএফডির সমর্থন কমাতে পারেনি এবং বামপন্থি ভোটারদের একটি অংশকেও দূরে সরিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এএফডির জাতীয় সহ-নেত্রী অ্যালিস ভাইডেল বলেছেন, তাদের দল সবচেয়ে শক্তিশালী শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে এবং তারা এখন জনগণের মূলধারায় পৌঁছে গেছে। দলটির কিছু শাখাকে জার্মানির অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা ডানপন্থি চরমপন্থি হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে, যদিও এএফডি তা প্রত্যাখ্যান করে।

জাপানের দিকে ধেয়ে আসছে টাইফুন ‘দুজুয়ান’, বন্যা-ভূমিধসের সতর্কতা
হুথি হামলার পর ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে পাল্টাপাল্টি হুমকি







