স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদের কাছে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ৪৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। বুধবার সকালে এ দুর্ঘটনার পর মাদ্রিদ, সিউদাদ রিয়াল ও আন্দালুসিয়ার মধ্যে রেল চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
দেশটির রেল পরিষেবা পরিচালনাকারী সংস্থা এডিআইএফ জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বুধবার সকাল ৯টায় তোলেদো প্রদেশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় সংস্থাটি জানায়, পেছন থেকে দুই ট্রেনের সংঘর্ষের পর মাদ্রিদ-আন্দালুসিয়া উচ্চগতির রেলপথে চলাচল স্থগিত করা হয়েছে।
জানা গেছে, দক্ষিণমুখী রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ‘রেনফে এভিই’ নামের একটি ট্রেন একই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ‘ইরিও’ কোম্পানির একটি ট্রেনের পেছনে সজোড়ে ধাক্কা দেয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় ট্রেনের বগিগুলো ছিটকে গিয়ে ঢাল বেয়ে নিচে গড়িয়ে পড়ে।
কাস্তিয়া-লা মাঞ্চা অঞ্চলের মুখপাত্র এস্থার পাদিয়া জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার কারণ এখনও জানা যায়নি। রেনফের ট্রেনটিতে ৩৯৭ জন এবং ইরিওর ট্রেনটিতে ১৪৭ জন যাত্রী ছিলেন।
ইতালীয় মালিকানাধীন রেল সংস্থা ইরিও এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা নিরাপত্তা প্রটোকল কার্যকর করেছে এবং কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।
স্পেনের উচ্চগতির রেল নেটওয়ার্কে চলতি বছরে দ্বিতীয়বারের মতো এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর গভীর শোক প্রকাশ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ।
বুধবার স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ দেশটির উচ্চগতির রেল নেটওয়ার্কে এ বছরের দ্বিতীয় বড় দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, দুর্ঘটনার খবরে তিনি স্তব্ধ ও মর্মাহত।
এক্সে দেওয়া এক বার্তায় সানচেজ জানান, তোলেদোতে গুরুতর ট্রেন দুর্ঘটনার পর তিনি পরিবহনমন্ত্রী অস্কার পুয়েন্তে এবং কাস্তিয়া-লা মাঞ্চার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের সহায়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরি সেবাকর্মীরা ঘটনাস্থলে কাজ করছেন বলেও জানান তিনি। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও সংহতি প্রকাশ করেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী।
চলতি বছর স্পেনের উচ্চগতির রেল নেটওয়ার্কে এটি দ্বিতীয় বড় রেল দুর্ঘটনা। এর আগে জানুয়ারিতে আদামুজে একটি ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার পর আরেকটি ট্রেনের সঙ্গে সংঘর্ষে ৪৫ জন নিহত হন।
সূত্র: এনডিটিভি
‘আমি ১২০ পর্যন্ত গুনতে জানি, ৫৫-এর চেয়ে ৬৫ বেশি’, নেতানিয়াহুকে কটাক্ষ গোলানের
ট্রাম্পের সমর্থনেই কি ঘুরে দাঁড়ালেন নেতানিয়াহু?