৩৫০ রুপির ওষুধে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের চিকিৎসা!

বিদেশ ডেস্ক
০৭ জুন ২০২১, ২২:০৯আপডেট : ০৭ জুন ২০২১, ২২:০৯

করোনা থেকে সুস্থ হওয়ার পর ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় ওষুধ খরচ ৩৫ হাজার থেকে মাত্র ৩৫০ রুপিতে নামিয়ে এনেছেন ভারতের এক নাক, কান ও গলার চিকিৎসক। মিউকোরমাইকোসিস সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রধান ওষুধ লিপোসোমাল অ্যাম্ফোটেরিসিন ইনজেকশনের দাম অনেক বেশি হলেও একই ওষুধের প্রচলিত ধরন ব্যবহারে খরচ ১০০ গুণ কম। তবে এটি খুব সতর্কতার সঙ্গে প্রয়োগ করতে হয়। প্রতিদিন রক্তের একটি পরীক্ষা করে দেখতে হয় কিডনিতে ওষুধের কোনও বিষক্রিয়া তৈরি হচ্ছে কিনা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এখবর জানিয়েছ।

চিকিৎসকরা বলছেন, উভয় ধরনের অ্যাম্ফোটেরিসিনের কার্যকারিতা সমান। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, প্রচলিত ধরনের ওষুধটি উল্লেখযোগ্য কো-মরবিডিটিজ আছে এমন রোগীদের দেওয়া যাবে না। এসব দীর্ঘমেয়াদি রোগের মধ্যে রয়েছে রেনাল ফেইলার ও ডায়বেটিক কেটোসিডোসিস। বাকিদের ক্ষেত্রে প্রচলিত অ্যাম্ফোটেরিসিন কার্যকরভাবে মিউকোরমাইকোসিসের বিস্তার ঠেকাতে পারে। এক্ষেত্রে চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসককে কঠোরভাবে রক্তের ক্রিয়েটাইনিনের মাত্রা পর্যালোচনা এবং অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু পরিষ্কার করতে হবে।

পুনের বিজে মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড সাসুন জেনারেল হসপিটালের নাক, কান ও গলা বিভাগের প্রধান সামির জোশি বলেন, কোনও সন্দেহ নাই লিপোসোমাল অ্যাম্ফোটেরিসিন প্রচলিত ওষুধের চেয়ে নিরাপদ। সবাই নিরাপদটাই চাইবেন। কিন্তু ওষুধটির দুটি ধরনের কার্যকারিতায় কোনও পার্থক্য নেই।

করোনার পর ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হওয়া ২০১ জনের চিকিৎসা করা জোশি বলেন, নজরদারির আওতায় প্রচলিত অ্যাম্ফোটেরিসিন ওষুধ এবং সতর্কভাবে পরিকল্পিত ক্ষত পরিষ্কারের অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে এসব রোগীদের ৮৫ শতাংশের বেশি সুস্থ হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি ফলোআপে এই সাফল্যের হার আরও বাড়বে।

তিনি জানান, করোনা মহামারির আগে প্রচলিত অ্যাম্ফোটেরিসিন ব্যবহার করে ৬৫ জন রোগীর চিকিৎসা করেছেন। এদের মধ্যে ৬৩ জন সুস্থ হয়েছেন।

২১ দিনের কোর্সে যদি ক্রিয়েটাইনিনের মাত্রা যদি বেড়ে যায় তাহলে দুই থেকে তিনটি ছোট বিরতি নিয়ে এটি ব্যবহার করা যায়। এতে শরীর স্বাভাবিক হওয়ার সুযোগ পায়। ক্রিয়েটাইনিন দেহের একটি বর্জ্য যা কিডনি হয়ে বেরিয়ে আসে।

সামির জোশি বলেন, প্রচলিত অ্যাম্ফোটেরিসিন ব্যবহারে কিডনির ক্ষতি হয় এমন অযৌক্তিক উদ্বেগের কারণে লিপোসোমাল ধরনের দাম আকাশ ছোঁয়া। আমাদের এই ভয় দূর করতে হবে।

আরেক নাক, কান ও গলার সার্জন সন্দিপ কর্মকার বলেন, আক্রান্ত টিস্যুর ক্ষত পরিষ্কার করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এসব স্থান পরিষ্কার করার পরই কেবল ওষুধ কাঙ্ক্ষিত স্থানে পৌঁছাতে সক্ষম হবে।

/এএ/
সম্পর্কিত
ড্রোন কিনতে ২০০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়ের পরিকল্পনা ভারতের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
তৃণমূলের বিদ্রোহী নেতা কে এই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়
সর্বশেষ খবর
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: সবচেয়ে বেশি চাপে মধ্যবিত্ত
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: সবচেয়ে বেশি চাপে মধ্যবিত্ত
দেশে ফিরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
দেশে ফিরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
মূল্যস্ফীতির আগুনে পুড়ছে মানুষ, বাড়ছে বিদ্যুতের দাম এরপর কী
মূল্যস্ফীতির আগুনে পুড়ছে মানুষ, বাড়ছে বিদ্যুতের দাম এরপর কী
থানায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে নির্যাতনের অভিযোগ, পুলিশের তদন্ত কমিটি
থানায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে নির্যাতনের অভিযোগ, পুলিশের তদন্ত কমিটি
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম