পশ্চিম তীরে বিক্ষোভে ইসরায়েলি গুলিতে ফিলিস্তিনি কিশোর নিহত

বিদেশ ডেস্ক
১৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ১২:২৬আপডেট : ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ১২:২৭

দখলকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লাহ বিক্ষোভের সময় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর গুলিতে একটি ফিলিস্তিনি কিশোর নিহত হয়েছে। শুক্রবার আল-জালাজুন শরণার্থী শিবিরে মাত্র দশ মিটার দূর থেকে ইসরায়েলি সেনারা গুলি করে এই কিশোরকে। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে উদ্ধৃত করে এই খবর জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

পশ্চিম তীরে বিক্ষোভে ইসরায়েলি গুলিতে ফিলিস্তিনি কিশোর নিহত

নিহত কিশোরের নাম মাহমুদ নাখলেহ (১৮)। শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি সেনাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের সময় পাকস্থলীতে গুলিবিদ্ধ হয়ে তার মৃত্যু হয়।

ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা মান জানায়, গুলির পর ইসরায়েলি সেনারা নাখলেহকে আটকের চেষ্টা করে। কিন্তু ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্যকর্মীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

জালাজুন শরণার্থী শিবিরের বাসিন্দা ফাদওয়া সাফি জানান, সেনারা নাখলেহকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যায় ও মারধর করে। কিশোর গুলিবিদ্ধ হওয়ার সময় ৪২ বছরের এই নারী নিজের ঘরের ভেতরেই ছিলেন। বোন তাকে ঘটনা জানালে তিনি বেরিয়ে আসেন।

সাফি বলেন, ঘর থেকে বের হয়ে দেখি আহত কিশোরকে মারধর করছে ইসরায়েলি সেনারা। চারজন সেনা তাকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে এবং আরও সাত সেনা তাদের সঙ্গে হাঁটছিল। আমি তাদের লক্ষ্য করে দৌঁড় দেই। সেনারা আমার দিকে একটি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে এবং ঘরে ফিরে যেতে বলে। কিন্তু আমি এগিয়ে যাচ্ছিলাম। আমি ছেলেটিকে নিয়ে আসতে চাইছিলাম কারণ সে তখনও নিঃশ্বাস নিচ্ছিলো ও নড়াচড়া করছিল। তারা তাকে মাটিতে আছড়ে ফেলে।

সাফি আরও বলেন,  পাশেই অ্যাম্বুলেন্স ছিল। কিন্তু সেনারা সেটাকে প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছিলো না। এক সেনা আমার দিকে বন্দুক তাক করে। আমি বলি, আমাকে গুলি করো। তবু ছেলেটিকে আমি ফিরিয়ে নেবই।

কিশোরের মৃত্যু সম্পর্কে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর তাৎক্ষণিক কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

/এএ/
সম্পর্কিত
বিশ্ব অর্থনীতির সামনে দুই কঠিন পথ, নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ ও এআই সংকট
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
ইরাকে অস্ত্র জমা দেওয়ার ঘোষণা ইরানপন্থি দুই মিলিশিয়া গোষ্ঠীর
সর্বশেষ খবর
বাবা-মেয়েসহ ইজিবাইকের ৩ যাত্রী নিহত
বাবা-মেয়েসহ ইজিবাইকের ৩ যাত্রী নিহত
‘বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত জনদুর্ভোগকে আরও তীব্র করবে’
‘বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত জনদুর্ভোগকে আরও তীব্র করবে’
নজরুলের ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ গানের শতবর্ষ পালনের আহ্বান ১৪ সাংস্কৃতিক সংগঠনের
নজরুলের ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ গানের শতবর্ষ পালনের আহ্বান ১৪ সাংস্কৃতিক সংগঠনের
মদ্যপ স্বামীকে পিটিয়ে হত্যার পর থানায় গিয়ে স্ত্রীর আত্মসমর্পণ
মদ্যপ স্বামীকে পিটিয়ে হত্যার পর থানায় গিয়ে স্ত্রীর আত্মসমর্পণ
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ