X
মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪
১০ বৈশাখ ১৪৩১

ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় পশ্চিমা চাপ তোয়াক্কা করছেন না নেতানিয়াহু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২১ জানুয়ারি ২০২৪, ১০:০৫আপডেট : ২১ জানুয়ারি ২০২৪, ২১:৫০

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আবারও বলেছেন ইসরায়েলের উচিত সব ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা। নেতানিয়াহু বলেন, এই শর্তটি ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পুরোপুরি বিপরীত। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলো বলছে, আলাদা নিরাপত্তার জন্য ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা জরুরি। কিন্তু নেতানিয়াহু এসব কিছুর কোনও তোয়াক্কাই করছেন না। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।

নেতানিয়াহু এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন শুক্রবার ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করেছেন।

নেতানিয়াহু বলেন, গাজায় যুদ্ধ পরবর্তী সরকার এবং স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরায়েলের প্রকাশ্য বিরোধ আরও ঘনীভূত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাস করে ইসরায়েলের পাশাপাশি একটি ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এই অঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে হোয়াইট হাউস এই সপ্তাহে স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র  এবং ইসরায়েল সরকার  জিনিসগুলিকে ভিন্নভাবে দেখে।

ফোনে কথা বলার পর বাইডেন বলেন, দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধান এখনও সম্ভব। অনেক ধরনের দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান রয়েছে। অনেক দেশ আছে যারা জাতিসংঘের সদস্য না। তাদের নিজস্ব সামরিক বাহিনী নেই।

এদিকে নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সঙ্গে তার কথোপকথনে নেতানিয়াহু তার নীতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, হামাস ধ্বংস হওয়ার পরে ইসরায়েলকে অবশ্যই গাজার ওপর নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে হবে যেনো গাজা আর ইসরায়েলের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে না পারে। এই বিষয়টি ফিলিস্তিনের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করে।

/এসএসএস/
সম্পর্কিত
ঘুষ মামলায় আদালতের আদেশ লঙ্ঘন, ট্রাম্পের শাস্তি চান প্রসিকিউটররা
ইসরায়েলের আকরে শহরে হামলার দাবি করলো হিজবুল্লাহ
ইউক্রেনকে ৬২ কোটি ডলারের অস্ত্র সহায়তা দেবে যুক্তরাজ্য
সর্বশেষ খবর
নিখোঁজের ২৫ দিন পর ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিখোঁজের ২৫ দিন পর ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
যুক্তরাষ্ট্র বড় শক্তি, তাদের পরোয়া করতে হয়: শ্রম প্রতিমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্র বড় শক্তি, তাদের পরোয়া করতে হয়: শ্রম প্রতিমন্ত্রী
ব্যাংক ডাকাতি রোধে যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে
ব্যাংক ডাকাতি রোধে যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে
রাজনৈতিক সম্পর্ক জোরালো হয়েছে ঢাকা ও দোহার মধ্যে
কাতারের আমিরের সফররাজনৈতিক সম্পর্ক জোরালো হয়েছে ঢাকা ও দোহার মধ্যে
সর্বাধিক পঠিত
মিশা-ডিপজলদের শপথ শেষে রচিত হলো ‘কলঙ্কিত’ অধ্যায়!
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিমিশা-ডিপজলদের শপথ শেষে রচিত হলো ‘কলঙ্কিত’ অধ্যায়!
আজকের আবহাওয়া: তাপমাত্রা আরও বাড়ার আভাস
আজকের আবহাওয়া: তাপমাত্রা আরও বাড়ার আভাস
ডিবির জিজ্ঞাসাবাদে যা জানালেন কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান
ডিবির জিজ্ঞাসাবাদে যা জানালেন কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান
সকাল থেকে চট্টগ্রামে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন না ডাক্তাররা, রোগীদের দুর্ভোগ
সকাল থেকে চট্টগ্রামে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন না ডাক্তাররা, রোগীদের দুর্ভোগ
৭ দফা আবেদন করেও প্রশাসনের সহায়তা পায়নি মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট
৭ দফা আবেদন করেও প্রশাসনের সহায়তা পায়নি মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট