ইরাক ও সিরিয়ায় ১৭ কুর্দি যোদ্ধাকে হত্যার দাবি তুরস্কের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১০ মে ২০২৪, ১৭:৩৫আপডেট : ১০ মে ২০২৪, ১৭:৩৫

ইরাক ও সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায় কুর্দিস্তান ওয়ার্কাস পার্টি (পিকেকে)-র ১৭ যোদ্ধাকে হত্যা করেছে তুর্কি বাহিনী। শুক্রবার (১০ মে) এই হত্যার দাবি করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরাকের উত্তরাঞ্চলের গারা ও হাকুর্কের বিভিন্ন এলাকায় ১০ জন কুর্দি যোদ্ধাকে হত্যা করেছে তুর্কি বাহিনী। এই এলাকায় ‘ক্লো-লক অপারেশন’র অধীনে প্রায়ই আন্তঃসীমান্ত অভিযান চালায় তুর্কি সামরিক বাহিনী।

মন্ত্রণালয়টি আরও জানিয়েছে, সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলের দুইটি জায়গা থেকে আরও সাত জন কুর্দি যোদ্ধাকে হত্যা করেছে তারা। এখানে এর আগেও হামলা চালিয়েছে তুরস্ক।

১৯৮৪ সাল থেকে তুরস্কের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ চালাচ্ছে পিকেকে। এই সংগঠনটি তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মদদপুষ্ট একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

উত্তর ইরাকে তুরস্কের আন্তঃসীমান্ত হামলা কয়েক বছর ধরেই উত্তেজনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই ইরাককে পিকেকে-এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে তুরস্ক। এদিকে, মার্চ মাসে এই গোষ্ঠীটিকে একটি ‘নিষিদ্ধ সংগঠন’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে ইরাক।

গত মাসে বাগদাদ ও কুর্দিস্তানের রাজধানী ইরবিলে কর্মকর্তাদের সঙ্গে উত্তর ইরাকে পিকেকে-এর উপস্থিতির নিয়ে আলোচনা করে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান বলেন, আমি মনে করি, ইরাকও পিকেকে নির্মূল করার প্রয়োজনীয়তা দেখেছে।

সিরিয়ার উত্তরে পিপলস ডিফেন্স ইউনিট (ওয়াইপিজি) যোদ্ধার বিরুদ্ধেও সামরিক অভিযান চালিয়েছে তুরস্ক। এটি পিকেকে-এর একটি শাখা সংগঠন হিসেবে পরিচিত।

এরদোয়ান ও তার মন্ত্রীরা বারবার বলেছেন, সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের সরকারের সঙ্গে শত্রুতাপূর্ণ সম্পর্ক ভালো করার কাজ করছে তুরস্ক। কিন্তু সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে ওয়াইপিজি-র বিরুদ্ধে নতুন সামরিক অভিযান পরিচালনা করবে আঙ্কারা।

/এসএইচএম/
সম্পর্কিত
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু কি এখন দুই পথের পথিক?
নিউ জিল্যান্ডের চার এমপির ওপর চীনের নিষেধাজ্ঞা
মদ্যপ স্বামীকে পিটিয়ে হত্যার পর থানায় গিয়ে স্ত্রীর আত্মসমর্পণ
সর্বশেষ খবর
নৌবাহিনী পরিচালিত ডকইয়ার্ডে নির্মিত ফ্লোটিং ক্রেন যুক্ত হলো নৌবহরে
নৌবাহিনী পরিচালিত ডকইয়ার্ডে নির্মিত ফ্লোটিং ক্রেন যুক্ত হলো নৌবহরে
জিয়াউর রহমানের আদর্শ গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথ দেখায়: আইনমন্ত্রী
জিয়াউর রহমানের আদর্শ গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথ দেখায়: আইনমন্ত্রী
রেললাইনে আটকে গেলো মাইক্রোবাস, ট্রেনের ধাক্কায় পুকুরে
রেললাইনে আটকে গেলো মাইক্রোবাস, ট্রেনের ধাক্কায় পুকুরে
দেশীয় খামারিদের পশুতেই শতভাগ কোরবানি হয়েছে:  প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
দেশীয় খামারিদের পশুতেই শতভাগ কোরবানি হয়েছে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের