জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১২ অক্টোবর ২০২৪, ১৫:০৬আপডেট : ১২ অক্টোবর ২০২৪, ১৫:০৬

উত্তর গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি বাহিনীর স্থল হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১১ অক্টোবর) রাতে এই হামলা করেছে তারা। মৃতের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় শনিবার জাবালিয়ার কাছাকাছি এলাকার বাসিন্দাদের দক্ষিণে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সামরিক বাহিনী। কাতারি সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এই খবর জানিয়েছে।

এক সপ্তাহ আগে, জাবালিয়ায় একটি তীব্র হামলা শুরু করেছিল সামরিক বাহিনী। তারা দাবি করেছিল, সেখানে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস পুনরায় সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে। তা রুখতেই এই হামলা করা হয়।

আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস জানিয়েছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর এই হামলায় হাজার হাজার ফিলিস্তিনি বেসামরিক আটকা পড়েছেন।

ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা শনিবার জানিয়েছে, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান শুক্রবার রাতে জাবালিয়ায় একটি বহুতল অ্যাপার্টমেন্ট ব্লকে বোমাবর্ষণ করেছে। চারটি আবাসিক ভবনে হামলায়২২ জন নিহত হয়েছে। এতে আহত হয়েছে অন্তত ৩০ জন। আরও ‘৪ জন নিখোঁজ। ধারণা করা হচ্ছে, তারা ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়েছেন।

মধ্য গাজার দেইর এল-বালাহ থেকে আল জাজিরার রিপোর্টার হানি মাহমুদ বলেছেন, ‘গাজা উপত্যকার উত্তরে শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।’

তিনি আরও জানান, অনেক হতাহত ব্যক্তি বিস্ফোরণে ‘ছিন্নভিন্নবা রক্তাক্ত হয়ে হাসপাতালে পৌঁছেছিলেন।’

উত্তরে কামাল আদওয়ান হাসপাতালের জ্বালানি প্রায় ফুরিয়ে গেছে। কর্মীরা বলেছেন, ইসরায়েলি সেনারা তাদের চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

সেখান থেকে আল জাজিরার মোয়াথ আল-কাহলুত সপ্তাহব্যাপী এই অবরোধকে ‘শ্বাসরোধকারী’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, পরিস্থিতি     ভয়াবহ।’ কেননা, হাসপাতালটিকেও অপারেশন বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।

তবে হাসপাতালটি গুরুতর আহত থেকে শুরু করে নবজাতক রোগী পর্যন্ত সবাইকে চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

প্যালেস্টাইন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি প্যারামেডিকস জানিয়েছে, গাজা শহরে তুফাহর আশেপাশের একটি বাড়িতে পৃথক হামলায় অন্তত তিনজন নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

/এএকে/
সম্পর্কিত
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
উচ্চ ক্ষমতার কার্বন ফাইবারের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু চীনে
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
সর্বশেষ খবর
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী