ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি ইস্যুতে পিছু হটলো জার্মানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০১ আগস্ট ২০২৫, ২১:২১আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২৫, ২১:২২

ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়া নিয়ে আগের অবস্থান থেকে পিছু হটলেন জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ভ্যাডেফুল। তিনি বলেছেন, তাৎক্ষণিকভাবে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার কোনও পরিকল্পনা বার্লিনের নেই। শুক্রবার পশ্চিম তীর সফরকালে এ কথা জানান তিনি। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

ইসরায়েলি নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাতের পর ভ্যাডেফুল বলেন, ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের শেষ ধাপের অংশ। এখনই সেই পথে হাঁটার সময় নয়।

এ বক্তব্য জার্মানির আগের অবস্থানের সঙ্গে দৃশ্যত ভিন্ন। সফরের আগেই ভ্যাডেফুল ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ইসরায়েলের একতরফা পদক্ষেপের জবাবে জার্মানি ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিতে পারে। তার এই বক্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায় তেল আবিব।

ইসরায়েলের উগ্র ডানপন্থি মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির এক্স-এ লিখেছিলেন, হলোকস্টের ৮০ বছর পর জার্মানি আবার নাৎসিবাদের পৃষ্ঠপোষকতায় ফিরেছে।

বার্লিনের এ অবস্থান বদলের পেছনে রয়েছে জার্মানির ঐতিহাসিক দ্বিধা।একদিকে ইসরায়েলের নিরাপত্তা রক্ষায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী দায়বদ্ধতা। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক চাপ যা ইসরায়েলকে জবাবদিহির আওতায় আনতে চায়।

গাজা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ জানান ভ্যাডেফুল। তিনি বলেন, গাজায় মানবিক বিপর্যয় এখনই বন্ধ হওয়া দরকার। জাতিসংঘের মাধ্যমে সহায়তা বিতরণ দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর ছিল, তা আবারও শুরু করতে হবে বাধাহীনভাবে।

জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, গাজায় রুটির দোকান, স্যুপ রান্নার কেন্দ্র এবং একটি ফিল্ড হাসপাতালের জন্য বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিতে অতিরিক্ত ৫০ লাখ ইউরো সহায়তা দেবে জার্মানি।

ভ্যাডেফুল বলেছেন, দুর্ব্যবহার পুরোপুরি এড়ানো না গেলেও তা কোনোভাবে সহায়তা বন্ধের অজুহাত হতে পারে না। বরং বেশি সহায়তা ও তা সঠিকভাবে বিতরণের মাধ্যমেই হামাসের অপব্যবহার ঠেকানো সম্ভব।

পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারী ইসরায়েলি নাগরিকদের সহিংসতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভ্যাডেফুল। তিনি জানান, সহিংস সেটেলারদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপে ইউরোপীয় পর্যায়ে চাপ জারি রাখবে বার্লিন।

 

/এএ/
সম্পর্কিত
মার্কিন যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, চলছে ইসরায়েলি হামলা
ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নে মার্কিন চাপ মানছে না ওমান
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
সর্বশেষ খবর
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে