গাজা থেকে কখনও পুরোপুরি সেনা প্রত্যাহার করবে না ইসরায়েল: প্রতিরক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:০১আপডেট : ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:০১

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেছেন, নিরাপত্তার কারণে দেশটির সেনাবাহিনী গাজা উপত্যকা থেকে কখনও পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হবে না এবং ফিলিস্তিনি এই অঞ্চলে একটি বেসামরিক-সামরিক সেনা ইউনিট গঠন করা হবে। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) তিনি এই মন্তব্য করেছেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থিত শান্তি পরিকল্পনায় অক্টোবরে ইসরায়েল ও হামাস উভয়ের স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী উপকূলীয় এই অঞ্চল থেকে ধীরে ধীরে পুরোপুরি প্রত্যাহার করবে এবং ইসরায়েল গাজায় বেসামরিক বসতি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবে না।

হামাসের ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে কাৎজ বলেন, আমরা গাজার ভেতরে অবস্থান করছি এবং গাজা থেকে পুরোপুরি কখনও চলে যাব না। এমন কিছু কখনও হবে না। আমরা সেখানে রয়েছি রক্ষা করতে, যা ঘটেছিল তা যাতে আবার না ঘটে।

প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ইউনিটগুলোর প্রসঙ্গ উল্লেখ করে কাৎজ বলেন, সময় এলে উত্তর গাজায় বাস্তুচ্যুত ইসরায়েলি সম্প্রদায়গুলোর পরিবর্তে আমরা নাহাল ইউনিট গঠন করব। সঠিক সময়ে সঠিক উপায়ে আমরা তা করব।

তিনি বলেন, আমাদের নাগরিকদের রক্ষায় অন্য কাউকে আমরা বিশ্বাস করি না। এ প্রসঙ্গে লেবানন ও সিরিয়ায়ও উপস্থিতির প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন কাৎজ।

দুই বছর ধরে চলা গাজা যুদ্ধের মধ্যে নেতানিয়াহু বারবার গাজায় বসতি পুনঃপ্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা নাকচ করেছেন। যদিও তার জোটের কিছু কট্টরপন্থি সদস্য গাজা পুনরায় দখলের পক্ষে।

ইসরায়েলের সশস্ত্র বাহিনীতে নাহাল ইউনিটগুলো এমন বেসামরিকদের জন্য, যারা সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে আগ্রহী। এতে সেনাবাহিনীতে যোগদানের আগে এক বছরের প্রস্তুতি ও স্বেচ্ছাসেবী কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত। এসব ইউনিটের ঐতিহাসিক ভূমিকা রয়েছে ইসরায়েলি সম্প্রদায় গঠনে।

ইসরায়েল ২০২৬ সালে নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে এবং বসতি ইস্যুটি মূল বিষয় হিসেবে উঠে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পশ্চিম তীর প্রসঙ্গে কাৎজ বলেন, নেতানিয়াহুর সরকার একটি বসতি সরকার। এটি কাজে বিশ্বাসী। সার্বভৌমত্ব পাওয়ার সুযোগ এলে আমরা সার্বভৌমত্ব নিয়ে আসব। আমরা বাস্তব সার্বভৌমত্বের যুগে রয়েছি। এখানে এমন সুযোগ রয়েছে যা দীর্ঘদিন ধরে ছিল না।

/এএ/
সম্পর্কিত
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
উচ্চ ক্ষমতার কার্বন ফাইবারের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু চীনে
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
সর্বশেষ খবর
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী