পারমাণবিক ইস্যুতে নমনীয়তা দেখাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান: তুরস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৭:৪৭আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৭:৪৭

স্থগিত হয়ে থাকা পারমাণবিক চুক্তি পুনরুজ্জীবিত করার প্রচেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয়ই নমনীয়তার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। তবে আলোচনার পরিধি বাড়ানো হলে তা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সংঘাত ডেকে আনতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ফিদান। বৃহস্পতিবার ফিনান্সিয়াল টাইমসে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে এমটাই দাবি করেছেন তিনি। তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড এ খবর জানিয়েছে।  

সাক্ষাৎকারে ফিদান জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন তাদের দীর্ঘদিনের দাবি, ইরানকে পুরোপুরি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করতে হবে। এই অবস্থান থেকে কিছুটা সরে আসার ইঙ্গিত দিয়েছে। অতীতে এই বিষয়টিই ছিল আলোচনা না হওয়ার অন্যতম বড় কারণ।

ফিদান আরও বলেছেন, সুস্পষ্ট সীমারেখার মধ্যে ইরানের পরমাণু সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম মেনে নিতে যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহ রয়েছে। এটি একটি ইতিবাচক সংকেত।

তিনি আরও বলেছেন, পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি)-এর স্বাক্ষরকারী ইরান বরাবরই বলে আসছে, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ তাদের সার্বভৌম অধিকার।

ফিদানের মতে, ইরান এখন সমৃদ্ধকরণের মাত্রায় সীমা নির্ধারণ এবং কঠোর আন্তর্জাতিক পরিদর্শন মেনে নিতে প্রস্তুত। যা ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তির শর্তের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।

তিনি আরও বলেছেন, ইরানিরা এখন বুঝতে পারছে যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো প্রয়োজন। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রও উপলব্ধি করছে যে ইরানের কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তাদের জোর করে কিছু চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা অর্থহীন।

তবে ফিদান সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি পারমাণবিক ইস্যুর পাশাপাশি ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থনের বিষয়টিও একসঙ্গে আলোচনায় আনতে চায়, তাহলে মূল পারমাণবিক আলোচনা স্থবির হয়ে পড়তে পারে।

তিনি আরও বলেছেন, “যদি যুক্তরাষ্ট্র সব বিষয় একসঙ্গে আলোচনায় আনতে চায়, তাহলে পারমাণবিক ফাইলেও অগ্রগতি হবে না। এর ফল হতে পারে অঞ্চলে আরেকটি যুদ্ধ।

/এসএসএস/
সম্পর্কিত
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু কি এখন দুই পথের পথিক?
নিউ জিল্যান্ডের চার এমপির ওপর চীনের নিষেধাজ্ঞা
সর্বশেষ খবর
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
ছোট ছেলে শ্বশুরবাড়ি, বড় ছেলের ঘরের মেঝে খুঁড়ে মায়ের লাশ উদ্ধার
ছোট ছেলে শ্বশুরবাড়ি, বড় ছেলের ঘরের মেঝে খুঁড়ে মায়ের লাশ উদ্ধার
‘শাহজালালে হাজিদের লাগেজ কেটে চুরির অভিযোগ সঠিক নয়’
‘শাহজালালে হাজিদের লাগেজ কেটে চুরির অভিযোগ সঠিক নয়’
৩০০ ফিটে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় চীনা নাগরিকের মৃত্যু
৩০০ ফিটে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় চীনা নাগরিকের মৃত্যু
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের