করোনা মহামারি: যুক্তরাষ্ট্রকে একঘরে করে ফেলছেন ট্রাম্প?

Send
জাহিদুল ইসলাম জন
প্রকাশিত : ১৩:৪৫, মে ১২, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৫:৩২, মে ১২, ২০২০

বিভিন্ন বৈশ্বিক সংকটে নেতৃত্বের ভূমিকায় থাকা যুক্তরাষ্ট্র করোনাভাইরাস মহামারির ক্ষেত্রে তার অতীত ভূমিকা থেকে সরে এসেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বৈঠকে সাড়া না দেওয়া, ডব্লিউএইচও’র তহবিল বাতিল, করোনাকালে যুদ্ধবিরোধী আন্তর্জাতিক প্রস্তাবের বিরোধিতা করা ও মহামারির সমস্ত দায় চীনের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটিকে কার্যত একঘরে করে ফেলছেন। সাবেক বিশ্বনেতারা সতর্ক করেছেন, চীনকে শাস্তি দিতে গিয়ে প্রাণঘাতী মহামারির রাজনীতিকরণের মধ্য দিয়ে মিত্রদের থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলার ঝুঁকিতে ফেলেছে ট্রাম্প প্রশাসন।  

করোনাভাইরাস থেকে জীবন রক্ষাকারী টিকা আবিষ্কারের প্রক্রিয়া সমন্বয় করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন গত মাসে একটি ভার্চুয়াল বৈঠক আহ্বান করে। তবে ওই বৈঠকে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানায় যুক্তরাষ্ট্র। এদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের ডব্লিউএইচও’র তহবিল বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্তে হতভম্ব হয়ে পড়েন বিশ্বের স্বাস্থ্য খাতের নেতারা। অন্যদিকে করোনাভাইরাস মোকাবিলার কাজে গতি আনতে বিশ্বজুড়ে যুদ্ধবিরতি কার্যকরে ৮ মে (শুক্রবার) জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে আনা এক প্রস্তাব আটকে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। চীনের ওপর ক্ষোভ থেকে এর আগেও জি৭ ও জি২০ গ্রুপের একই ধরনের উদ্যোগ আটকে দিয়েছে ওয়াশিংটন।

সিএনএন-এর এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্রিফিংগুলোকে এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকা থেকে শুরু করে ইউরোপ পর্যন্ত দেখা হয়েছে অবিশ্বাস আর বিনোদন হিসেবে। বলা হচ্ছে, এতে বহির্বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের ভাবমূর্তি মারাত্মক ক্ষুণ্ন হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা অবশ্য বলছেন, জি-৭ এবং দ্বিপাক্ষিকভাবে অন্তত ৫০টি ফোন কলে ডোনাল্ড ট্রাম্প করোনাভাইরাস মোকাবিলায় তহবিল বরাদ্দ দেওয়ার কথা বলেছেন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমন্বিতভাবে তহবিল বরাদ্দ না হলে সামগ্রিক অগ্রগতি ধীর হয়ে পড়তে পারে।

বিশ্বজুড়ে যখন ৪১ লাখেরও বেশি মানুষের মধ্যে ভাইরাসটির সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে, তখন অনেক দেশই যুক্তরাষ্ট্রের জোরালো ভূমিকা দেখার আশা করেছিলেন। অতীতে ইবোলা ভাইরাস সংক্রমণের সময় প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার কিংবা এইচআইভি/এইডস ভাইরাসের মহামারির সময়ে জর্জ ডব্লিউ বুশের ভূমিকার কথা মনে করে এই আশা করছিলেন তারা। এক ইউরোপীয় কূটনীতিক সিএনএন’কে বলেছেন, ‘তারা যুক্তরাষ্ট্রের আরও নিবিড় অংশগ্রহণ চাইছিলেন।’ তিনি বলেন, ‘আমরা জানি উন্নয়নশীল দেশসহ অনেক দেশের সঙ্গেই তারা (যুক্তরাষ্ট্র) ভালো কাজ করছে, দ্বিপাক্ষিকভাবে।’ তিনি বলেন, ‘অনেক দেশই মনে করে এইটা ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সময় আর যুক্তরাষ্ট্র সব সময়ই এসব সংকটে নেতৃত্ব দিয়ে এসেছে।’

সমালোচকেরা বলে থাকেন, করোনাভাইরাস নিয়ে ট্রাম্পের ভূমিকা কেবল মহামারি মোকাবিলাকেই ক্ষতিগ্রস্ত করেনি বরং এতে অনিশ্চয়তা বেড়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি মানুষের শ্রদ্ধা কমেছে আর আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার প্রতি মানুষের সংশয় গভীর হয়েছে যে এগুলো আর ভালোভাবে কাজ করবে না।

ব্রিটিশ থিংকট্যাংক চাটহাম হাউজের গ্লোবাল হেলথ প্রোগ্রামের পরিচালক রবার্ট ইয়েটস সিএনএন’কে বলেন, ‘দুনিয়া বৈশ্বিক নেতৃত্বের সন্ধান করছে। এটা বিশ্বজুড়ে চলা এক সমস্যা... আক্ষরিকভাবে দুনিয়ার সবার ওপরই এর প্রভাব পড়েছে। এই সময়ই আপনি আশা করবেন যে সুপারপাওয়ারের নেতারা সাহায্যের জন্য খুবই গঠনমূলক ও কাঠামোগত পদক্ষেপ নেবে। তিনি বলেন, ‘কেউ কেউ হয়তো আশা করবে বৈশ্বিক উদ্যোগ সমন্বয়ে নেতৃত্বের ভূমিকা নেবে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু এবার সেসব সম্পূর্ণ অনুপস্থিত ছিল।’ তিনি বলেন, মহামারির মাঝামাঝি সময়ে ট্রাম্প ডব্লিউএইচও’র তহবিল বরাদ্দ বন্ধ করে দিলে বিশ্বের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা হতভম্ব হয়ে পড়েন। ইয়েটস বলেন, ‘এটা সমন্বয়ের অভাবের চেয়েও খারাপ পরিস্থিতি, অনেকটা ধ্বংসযজ্ঞের মতো।’

ট্রাম্পের অভিযোগ, ডব্লিউএইচও চীনের পক্ষে কাজ করছে। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সম্প্রতি সাংবাদিকদের বলেছেন, ডব্লিউএইচও নিয়ে প্রেসিডেন্টের উদ্বেগ রয়েছে। তিনি বারবারই জোর দিয়ে বলেন, বিশ্বের স্বাস্থ্য ও মানবিক খাতে এখনও একক বৃহত্তম দাতা দেশ যুক্তরাষ্ট্র। ওই কর্মকর্তার দাবি, এই মহামারি মোকাবিলায় এখনও বিশ্বের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন উদ্যোগগুলো এই মুহূর্তে কাজে আসছে না বলে মনে করেন অলাভজনক সংস্থা ওয়ান ক্যাম্পেইন’র সিইও এবং প্রেসিডেন্ট গেইল স্মিথ। তিনি বলেন, ‘আমরা কোনও ধরনের সম্মেলন, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক বা রাষ্ট্রপ্রধানদের কোনও বৈঠক দেখতে পাইনি যে কীভাবে এই সংকট মোকাবিলা করা হবে। এই যেমন বিশ্বজুড়ে সরবরাহ ব্যবস্থা ঠিক রাখার জন্য কী করা যেতে পারে তা নিয়ে কোনও বৈশ্বিক আলোচনা দেখিনি।’

যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার সাবেক প্রশাসক স্মিথ বলেন, ‘বিশ্বের সবাই একই ধরনের পণ্য খুঁজছে। যখন প্রয়োজন পড়বে তখন আমরা কীভাবে বৈশ্বিক অর্থনীতি সচল রাখবো?’ জি-৭ ও জি-২০ ভার্চুয়াল মিটিং করেছে; সেই প্রসঙ্গ উল্লেখ করা হলে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অনুপস্থিতির প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। বলেন, ‘আমি দেখতে চাইবো যে একাধিক প্লাটফর্মে সারা দুনিয়াকে মোবিলাইজ করার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র।’

মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, জি-৭ গ্রুপের মন্ত্রীদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করে অন্য দেশগুলোকে সহায়তার বিষয় সমন্বয় করে চলেছেন ট্রাম্প। তবে করোনার টিকা আবিষ্কার সমন্বয় নিয়ে আন্তর্জাতিক বৈঠক এড়িয়ে গেছে হোয়াইট হাউজ। এতে বিভ্রান্ত হয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এর একটি বৈঠক আয়োজন করে ডব্লিউএইচও। এছাড়া ৪০টিরও বেশি দেশ ও সংস্থার এক বৈঠকে একটি কার্যকর টিকা আবিষ্কার ও সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে আটশ’ কোটি ডলার জোগাড়ের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে। ওই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের অনুপস্থিতি ‘সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক’ বলে মন্তব্য করেন গেইল স্মিথ। তিনি বলেন, এটা কেবল এই কারণে নয় যে যুক্তরাষ্ট্র ঐতিহাসিকভাবে নেতা, বরং এতে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থও ছিল। তিনি বলেন, ‘এই গ্রুপটি যে টিকা ও প্রতিষেধক আবিষ্কারের কাজে গতি আনতে চাইছে সেটা আমাদের এখানেও দরকার। আমার মনে হয় এই উদ্যোগের শুরু থেকে যুক্ত থাকাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।’

গ্লোবাল হেলথ পলিসি সেন্টার এবং সেন্টার ফর স্ট্রাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের পরিচালক স্টিফেন মরিসন বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের একা একা চলতে থাকা এবং আন্তর্জাতিক উদ্যোগের বাইরে থাকা খুবই বিরক্তিকর ও পাগলাটে সিদ্ধান্ত। এটি সেই দেশ যার আর্থিক ক্ষমতা বিশাল এবং এর সবচেয়ে মৌলিক স্বার্থ রয়েছে।’ টিকা ও প্রতিষেধক উদ্ভাবনে ট্রাম্প প্রশাসনের একক উদ্যোগের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘একা একা নেওয়া এই উদ্যোগ সফল হবে কিনা তা আমি জানি না।’

টিকা উদ্ভাবনের বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের অনুপস্থিতি নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠতে থাকলে মার্কিন কর্মকর্তারা করোনা মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের তহবিল বরাদ্দের বিষয়টি সামনে আনতে থাকেন। পরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ নিয়ে একটি বিবৃতি দেয়। এতে যুক্তরাষ্ট্রের তহবিল বরাদ্দ দেওয়া গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনের মতো কয়েকটি আন্তর্জাতিক জোটে অর্থ দেওয়ার বিষয়টি সামনে আনা হয়। ওই বিবৃতিতে বলা হয়, টিকা সম্মেলনকে যুক্তরাষ্ট্র তাদের চলমান উদ্যোগকে সহায়তার অংশ হিসেবে দেখে।

করোনাভাইরাসের মহামারি নিয়ে চীনকে শাস্তি দেওয়ার উপায় খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের বছরে প্রচারণায় গতি আনতে চীনকে লক্ষ্যবস্তু বানাতে চাইছে ট্রাম্প শিবির। ইতোমধ্যে ভাইরাসটির উদ্ভব চীনা গবেষণাগারে, এমন অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ থাকার দাবি করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। এ প্রসঙ্গে এক জার্মান কূটনীতিক বলেন, ‘আমার ভয় এর সবকিছুই রাজনৈতিক। এটা খুবই নিশ্চিত যে এগুলো প্রচারণার অংশ।’

ফ্রান্সের এক কূটনীতিক স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘আমরা চীনের দিকে পেছন ফিরতে পারবো না। তারা বড় সহযোগী। কেউই পারবে না। আমাদের সহায়তা অব্যাহত রাখা দরকার।’ চীনের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রচারণা নিয়ে আরও সরাসরি কথা বলেছেন যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘এই মুহূর্তে এ ধরনের ভুল আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভুল বার্তা দেবে।’ ইউরোপীয় কূটনীতিক বলেন, ‘অনেক দেশই মনে করে মহামারির এই মুহূর্তে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রচুর সহযোগিতামূলক সম্পর্কের দরকার।... চীনকেও এর অংশ হতে হবে আর ডব্লিউএইচও’-কেও এসবে থাকতে হবে। এসব পদক্ষেপ থেকে মনোযোগ সরানোর মতো অন্য কিছু হলেই তাতে মানুষ খানিক নার্ভাস হয়ে পড়বে।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আচরণেও অনেক আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক বিচলিত হয়ে পড়েছেন। ট্রাম্পের করোনাভাইরাস ব্রিফিংগুলো মারাত্মক বিব্রতকর বলে মনে করেন রবার্ট ইয়েটস। প্যারিসভিত্তিক ফ্রেঞ্চ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল রিলেশন্সের পরিচালক থমাস গোমার্ট সিএনএন’কে বলেন, মহামারি নিয়ে ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়াকে ইউরোপ বিনোদন হিসেবে দেখে। ট্রাম্পের আচরণকে তিনি কল্পকাহিনির চেয়েও অদ্ভুত মনে করেন। বলেন, ‘তিনি (ট্রাম্প) আমাদের বিনোদন ও বেদনার এক চমৎকার ভারসাম্য উপহার দেন। তবে একজন মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে আমরা এগুলো আশা করি না। স্পেনের সাংবাদিক জেভিয়ার দেল পিনো বলেন, ‘আমরা যেভাবে ট্রাম্পকে দেখি তা প্রথমত প্রচুর বিনোদন দেয়। তবে এটা আর বিনোদনের পর্যায়ে নেই।’

কানাডার প্রখ্যাত কূটনীতিক জেরেমি কে.বি কিনসম্যান বিশ্বনেতৃত্ব থেকে আমেরিকার সরে যাওয়া নিয়ে কথা বলেছেন। সুইডেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কার্ল বিল্ডট বলেছেন, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় বিশ্বের নেতৃত্ব দিতে আমেরিকার উচ্চাকাঙ্ক্ষার কোনও ইঙ্গিতও নেই। আয়ারল্যান্ডের প্রখ্যাত কলামিস্ট ও সমালোচক ফিনট্যান ও’তুলে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় আমেরিকার প্রতিক্রিয়ার দিকে ইঙ্গিত করে প্রশ্ন রেখেছেন, এই লজ্জাজনক অধ্যায় থেকে আমেরিকার মর্যাদা কি আর কখনও ফেরত আসবে?

সিএনবিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি শতাব্দীর তিন ভাগ সময়জুড়েই যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের নেতা ছিল- অর্থনীতি, বিজ্ঞান, শিক্ষা, জনপ্রিয় সংস্কৃতি, সামরিক ক্ষমতায় নয় কেবল, কখনও কখনও নৈতিক শক্তির প্রেরণাও হয়েছে তারা। তবে ট্রাম্পের আমেরিকায় সিদ্ধান্তহীনতা আর ভুল পদক্ষেপের কারণে বিশ্বজুড়ে এখন যে নেতৃত্বশূন্যতা তৈরি হয়েছে তা সম্ভবত ১৭শ’ শতাব্দীতে স্প্যানিশ সাম্রাজ্যের পতনের পর আর দুনিয়ায় দেখা যায়নি।

/এফইউ/বিএ/এমওএফ/

লাইভ

টপ