পাকিস্তানে আবারও কথিত অনার কিলিং-এর শিকার অপ্রাপ্ত বয়স্ক দুই নারী

বিদেশ ডেস্ক
১৮ মে ২০২০, ১২:৪৩ আপডেট : ১৮ মে ২০২০, ১৩:১০
image

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে আবারও কথিত ‘অনার কিলিং’ বা ‘পরিবারের সম্মান রক্ষা’র নামে দুই অপ্রাপ্ত বয়স্ক নারীকে হত্যা করা হয়েছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে ১৮ বছর পার না হওয়া ওই দুই নারীকে এক তরুণের সঙ্গে দেখা যাওয়ায় পরিবারের সদস্যরা তাদেরকে গুলি করে হত্যা করে। এ ঘটনায় এরইমধ্যে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাকিস্তানি পুলিশকে উদ্ধৃত করে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে।

পাকিস্তানে আবারও কথিত অনার কিলিং-এর শিকার অপ্রাপ্ত বয়স্ক দুই নারী পাকিস্তানে তথাকথিত ‘অনার কিলিং’ বা সম্মান রক্ষার নামে হত্যাকাণ্ড প্রায়ই ঘটে থাকে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের হিসাব অনুযায়ী প্রতিবছর দেশটিতে প্রায় এক হাজার নারী তথাকথিত অনার কিলিংয়ের শিকার হন। সম্প্রতি ওয়াজিরিস্তানের একটি দুর্গম এলাকায় এক তরুণের সঙ্গে দুই কিশোরীর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

পাকিস্তানের পুলিশের বরাত দিয়ে সেদেশের সংবাদমাধ্যম ডন জানায়, খাইবার পাখতুনখা সীমান্তবর্তী এক গ্রামে বৃহস্পতিবার বিকেলে হত্যা করা হয় ওই দুই কিশোরীকে। তাদের একজনের বয়স ছিল ১৬ এবং আরেকজনের ১৮। ভিডিওতে দেখা গেছে এক তরুণ ভিডিওটি ধারণ করছিলেন, সেখানে তিনটি মেয়ে উপস্থিত ছিলো এবং জায়গাটি ছিল নির্জন। বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এক বছর আগের ভিডিও এটি, সম্প্রতি এটি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে।

পাকিস্তানের একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘এখন আমাদের দায়িত্ব তৃতীয় মেয়েটি ও তরুণের প্রাণ বাঁচানো।’

রবিবার (১৭ মে) এ ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া দুইজনের মধ্যে একজন নিহত এক কিশোরীর ভাই আর অপরজন আরেক কিশোরীর বাবা।


একসময় অনার কিলিংয়ের ঘটনায় আইনের ফাঁক গলে অর্থাৎ পরিবারের সদস্যরা ক্ষমা করে দিলে অপরাধীরা পার পেয়ে যেত। তবে ২০১৬ সালে পাকিস্তানে অ্যান্টি অনার কিলিং আইন-২০১৫  পাস হয়। এতে হত্যাকারীর যাবজ্জীবন সাজার বিধান রাখা হয়েছে। হত্যার শিকার হওয়া ব্যক্তির পরিবার ক্ষমা করে দিলেও হত্যাকারী ওই সাজা থেকে মুক্তি পাবে না। অপরাধীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলে সেক্ষেত্রে ভুক্তভোগীর পরিবার যদি ক্ষমা করে তবে তার মৃত্যুদণ্ড মওকুফ হতে পারে। কিন্তু সেক্ষেত্রেও অপরাধীকে বাধ্যতামূলকভাবে সাড়ে ১২ বছরের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

/এফইউ/বিএ/
সম্পর্কিত
আর্কটিক অভিযান শেষে শাংহাইয়ে ফিরলো চীনের দুই গবেষণা জাহাজ 
কাশ্মিরে জওয়ানের গুলিতে কোম্পানি কমান্ডারসহ নিহত ৪
ঘরে টাকার স্তূপ-স্বর্ণ-গাড়ি, গ্রেফতার মাদক সম্রাজ্ঞী
সর্বশেষ খবর
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
সশস্ত্র বাহিনীতে আধুনিক সরঞ্জাম ও মেধাভিত্তিক পদায়ন চায় সংসদীয় কমিটি
সশস্ত্র বাহিনীতে আধুনিক সরঞ্জাম ও মেধাভিত্তিক পদায়ন চায় সংসদীয় কমিটি
বাণিজ্যিক নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্রয়মূল্য নির্ধারণ
বাণিজ্যিক নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্রয়মূল্য নির্ধারণ
এসবি সদস্য হত্যা মামলায় গ্রেফতার জিল্লু ৩ দিনের রিমান্ডে
এসবি সদস্য হত্যা মামলায় গ্রেফতার জিল্লু ৩ দিনের রিমান্ডে
সর্বাধিক পঠিত
‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বই বিক্রয়ে বাধা নিয়ে মধ্যরাতে আসিফ নজরুলের পোস্ট
‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বই বিক্রয়ে বাধা নিয়ে মধ্যরাতে আসিফ নজরুলের পোস্ট
পুলিশ পরিদর্শককে কল করে এমপি বললেন ‘এসব ফাইজলামি বাদ দেন’
পুলিশ পরিদর্শককে কল করে এমপি বললেন ‘এসব ফাইজলামি বাদ দেন’
ঘরে টাকার স্তূপ-স্বর্ণ-গাড়ি, গ্রেফতার মাদক সম্রাজ্ঞী
ঘরে টাকার স্তূপ-স্বর্ণ-গাড়ি, গ্রেফতার মাদক সম্রাজ্ঞী
৫০৭ কোটি টাকা বিদ্যুৎ বিল আসা গ্রাহককে কল করে যা বললেন মন্ত্রী
৫০৭ কোটি টাকা বিদ্যুৎ বিল আসা গ্রাহককে কল করে যা বললেন মন্ত্রী
৫০৭ কোটি টাকা বিদ্যুৎ বিল আসা গ্রাহককে মন্ত্রীর ফোন, জিএম বরখাস্ত
৫০৭ কোটি টাকা বিদ্যুৎ বিল আসা গ্রাহককে মন্ত্রীর ফোন, জিএম বরখাস্ত