সীমান্ত উত্তেজনা নিয়ে ৫ম সামরিক বৈঠকে চীন-ভারত

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৯:০৯, আগস্ট ০২, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:১৫, আগস্ট ০২, ২০২০

সীমান্তে চীন ও ভারতের মধ্যকার উত্তেজনা নিরসনে বৈঠকে বসেছেন উভয় দেশের সামরিক কর্মকর্তারা। রবিবার মলডোয় কর্নেল পদমর্যাদার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত শুরু হয়েছে। ইন্দো-চীন সীমান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় (এলএসি) স্থিতিশীল অবস্থা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যেই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মার্চ মাসের পর থেকে এটি পঞ্চম সামরিক বৈঠক। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এখবর জানিয়েছে।  

খবরে বলা হয়েছে, এলএসি থেকে থেকে নিরাপদ দূরত্বে সরে আসতে বদ্ধপরিকর উভয় দেশ। দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এই বিষয়ে সমঝোতা হতে পারে। তবে কর্নেল পদমর্যাদার এই বৈঠকের মধ্যেও উদ্বেগ বিরাজ করছে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে। তাদের মতে, প্যাংগং লেকে এখনও চীনের সেনাবাহিনীর নজরদারি নৌকা চোখে পড়েছে। শীতের পোশাক সংগ্রহের হিড়িক পড়েছে সীমান্তে। এটি চীনা সেনাবাহিনীর বড় উদ্যোগ বলে মনে করছেন ভারতীয় কর্মকর্তা।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে খবরে বলা হয়েছে, বিতর্কিত এলাকা থেকে সরে আসার প্রক্রিয়া শেষ করতেই এই কূটনৈতিক উদ্যোগ। রবিবার সকাল ১১টায় মলডোয় কমান্ডার পদের এই বৈঠক শুরু হয়েছে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর চীনা ভূখণ্ডে হচ্ছে এই বৈঠক।

লাদাখ সীমান্তে ভারত-চীন উত্তেজনা কমানোর লক্ষ্যে দুই দেশের তরফ থেকেই সহমত হয়ে বিতর্কিত এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু বৃহস্পতিবার ভারতের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে অভিযোগ করা হয় যে, লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর পুরোপুরি সেনা সরায়নি চীন। যদিও বুধবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানান, দুই দেশের পক্ষ থেকেই নিজেদের সেনাবাহিনীকে গালওয়ান উপত্যকা, হট স্প্রিংস এবং কনকা পাস ও পাংগং হ্রদ এই তিনটি জায়গা থেকে পুরোপুরি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। 

অবশ্য চীনা দাবির সঙ্গে সহমত পোষণ করেননি ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, সেনা পুরোপুরি প্রত্যাহারের বিষয়ে দুই দেশই সম্মতি দিলেও এখনও পুরোপুরি সেনা প্রত্যাহারের কাজ শেষ হয়নি। চীন এখনও তাদের সব সেনা সরায়নি বলেই অভিযোগ তার।

ভারত-চীন সীমান্ত সমস্যা নিয়ে কথা বলার সময় অনুরাগ শ্রীবাস্তব আবারও দু'দেশের মধ্যে সামরিক ও কূটনৈতিক আলোচনার কথা তুলে ধরে মনে করিয়ে দেন যে, সীমান্তে শান্তি বজায় রাখার উপরই নির্ভর করছে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়টি।

 

/এএ/

লাইভ

টপ